FSSAI license Misuse

এফএসএসএআই-র লাইসেন্স অপব্যবহার, 'খাঁটি' ঘি-তে ভেজাল সুরাটে

জাতীয়

খাদ্যের গুণমান নিয়ামক সংস্থা এফএসএসএআই- র লাইসেন্স অপব্যবহার করে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর হচ্ছিল,সুরাটের সেই ভেজাল চক্রের পর্দা ফাঁস করল পুলিশ। সুরাটের ভেদ রোড এলাকার জয় যোগেশ্বর ডেয়ারিতে দীর্ঘদিন ধরে বনস্পতি, সয়াবিন তেল, পামোলিন তেল ও হলুদ মিশিয়ে খাঁটি দেশি ঘি-র নামে ভেজাল পণ্য তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে রাজেশ কুমার জয়ন্তিভাই প্যাটেল নামে গুজরাটের পাটন জেলার এক বাসিন্দা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চৌক বাজার থানার পুলিশ সহ জোন-৩ লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ যৌথভাবে সেই ডেয়ারিতে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে সুরাট পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধান চালিয়ে প্রায় ৩৪.০৫ কেজি ভেজাল ঘি, কাঁচামাল, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সহ একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মোট মূল্য ৪৩ হাজার ৫৩৫ টাকা।
খাদ্য পরীক্ষাগারের রিপোর্টে, উদ্ধার হওয়া ঘি-কে মানুষের খাওয়ার জন্য অনিরাপদ বলে জানানো হয়েছে। পরীক্ষায় হলুদ ও বিটা-সিটোস্টেরলের উপস্থিতি ধরা পড়েছে, যা খাঁটি ঘিতে থাকার কথা নয়। 
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত জানিয়েছেন, তিনি রাত ১০টা থেকে রাত ২টার মধ্যে এই ভেজাল ঘি তৈরি করতেন যাতে নজর এড়ানো যায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে এই কারবার চলছিল। এখন এই ভেজাল ঘি কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এফএসএসএআই-এর ১০০% অনুমোদিত অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের উপর আবার প্রশ্ন উঠছে। বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির খাদ্যদ্রব্যকে এফএসএসএআই যে শংসাপত্র দেয় তা আদৌ কতটা খাঁটি? দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই ব্যবস্থা এবার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ভ্রান্তি তৈরি করছে। নিশ্চয়তা না থাকার জন্য মানুষ ঠকছে বলেও মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

Comments :0

Login to leave a comment