অনুমান মিলে গিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ সত্ত্বেও সে দেশে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ইরানের প্রয়াত রাষ্ট্রীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের আয়োজন করেছে তেহরান। ৪-৯ জুলাই তেহরানে শেষকৃত্যের আয়োজন করা হয়েছে সরকারি স্তর থেকে।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর আমেরিকা-ইজরায়েল হামলা চালায়। সে সময়ে নিহত হন খামেনেই। একতরফা হামলার নিন্দা করার সাহস জুটিয়ে উঠতে পারেনি নরেন্দ্র মোদী সরকার। পরিস্থিতিতে কেবল ‘উদ্বেগ’ জানিয়েছিল। আমেরিকার অনুগত থাকার বিদেশনীতিই মোদীর না যাওয়ার সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান নিজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মোদীকে। কিন্তু ভারতের পক্ষে জুলাইয়ে ইরানে যাচ্ছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গারেটা এবং বিহারের রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হোসেন।
২০২৪ সালেও ইরানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম রইসির শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লা রুহতোললা খোমেনেইয়ের শেষকৃত্যেও যান তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদী সরকারে আসীন হওয়ার পর থেকে ভারত পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকা-ইজরায়েল অক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গভীর করেছে। এমনকি ইজরায়েল সফরে গিয়ে সে দেশকে পিতৃভূমি সম্বোধন করে এসেছিলেন মোদী। ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতেও সেই অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। এদিকে খবর, আমেরিকার ভয়ে ইরানের তেল পর্যন্ত কিনতে চাইছে না ভারত। আমেরিকার সঙ্গে সমানে সমানে টক্কর দিয়ে সমঝোতায় বসেছে ইরান। আমেরিকাকে তুলে নিতে হয়েছে ইরানের তেল বিক্রি সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা। তারপরও ভয়েই রয়েছে মোদী সরকার।
Modi Iran Khamenei
ইরানের রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ সত্ত্বেও খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যাচ্ছেন না মোদী
×
Comments :0