পশ্চিমবঙ্গ এই প্রথম শৃঙ্খলমুক্ত হয়ে উন্নয়নের এক নতুন যাত্রা শুরু করেছে। একটিমাত্র নির্বাচনী রায়ের ফলে যে পরিবর্তন এসেছে তা সমগ্র রাজ্যজুড়ে প্রতিফলিত হতে দেখা যাচ্ছে।
শনিবার তারকেশ্বরে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালনের অবুষ্ঠানে এই দাবি জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। জনতার উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, ‘পরিবর্তন ভালো লাগছে তো’!
রাজ্যে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। দু’দিনের সফরে রাজ্যে এসেছেন তিনি। রবিবার রেড রোডে ‘যোগ দিবস’ অনুষ্ঠানে থাকবেন তিনি।
পর 'পশ্চিমবঙ্গ দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মোদী বলেন, বাংলার বাতাসে এখন এক নতুন সতেজতার অনুভব হচ্ছে।
মোদী বলেন, ‘‘আজ, বিধানসভা নির্বাচন ও রাজ্যে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার আপনাদের সামনে আসার সৌভাগ্য হলো। এখন বাংলার বাতাসে নতুন সতেজতার অনুভব হচ্ছে। এমন মনে হচ্ছে যে বাঙালি তার শৃঙ্খলা থেকে মুক্ত হয়ে, বাংলার হৃতগৌরব ফিরে এসেছে।" সভায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্যপাল এন রবি।
শনিবারই বারাকপুর স্টেশনে পাঠানো হয়েছে বুলডোজার। উচ্ছেদ রুখতে মিছিল করেছেন হকাররা। অন্নপূর্ণা যোজনার বারো পাতার ফর্ম ভরতে হিমসিম খাচ্ছেন মহিলারা।
মোদী যদিও বলেছেন, ‘‘দেশ দেখছে কিভাবে দ্রুত ফলাফল মিলেছে ভোটের। বিকাশ দূরে ছিল। এখন বিকাশ ঘরে ঘরে পৌঁছাচ্ছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সব গরিবের চিকিৎসা মিলবে। অন্নপূর্ণা যোজনার লাভ পৌঁছাচ্ছে ঘরে ঘরে।’’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন কীভাবে আগের সরকার কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য জমি হস্তান্তরের কাজ আটকে রেখেছিল। বর্তমান সরকারের আমলে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।"
ঘটনা হলো, সীমান্ত থেকে ১২০০ গজ ভেতরে ঢুকে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ায় চলে যাচ্ছে চাষের জমি থেকে স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র। ক্ষোভ রয়েছে সীমান্ত অঞ্চলে।
মোদী বলেছেন, ‘‘বাংলায় বাম এবং তৃণমূল গর্ত খুঁড়েছে এতদিন। সেই গর্ত দ্রুততার সঙ্গে ভরে ফেলার ব্যবস্থা করছে নতুন সরকার। বিদ্যুৎগতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’’
রাজ্যে বিজেপি সরকার আসীন হওয়ার পর স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক করতে নেমেছে। বিদ্যুৎগতিতে নেওয়া হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যুতের স্মার্ট মিটার নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
MODI
এই প্রথম শেকল মুক্ত পশ্চিমবঙ্গ, উচ্ছেদ আতঙ্কের মধ্যে দাবি মোদীর
তারকেশ্বরে মোদী।
×
Comments :0