সংকটে আছে ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদের দাবি সঙ্গত। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা করে কী করবেন। তাঁরা তো দাবি তুলছে যে সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে।
মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে এই ভাষাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করলেন লোকসভা বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। প্রাক্তন সাংসদ ভাইকোর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে রাহুল বলেছেন, ছাত্ররা রাস্তায় নামছে কারণ আরএসএস দেশের ইতিহাস বিকৃত করতে নেমেছে। ইতিহাস বিকৃতি মেনে নেবে না দেশ।
রাহুল বলেন, অদ্ভূত সময়ের মধ্যে রয়েছি আমরা। ছাত্রছাত্রীরা চরম যন্ত্রণায় রয়েছে। রয়েছে কাজের সংকটে। নবীন অংশ যন্ত্রণায় রয়েছে কারণ শিক্ষা ব্যবস্থা বেহাল হয়ে রয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নেই। ক্ষোভে তাঁরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন। আর প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা করছেন!
রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা করে দেওয়ার কে? আমাকে বা ছাত্রছাত্রীদের তিনি ক্ষমা দেওয়ার যোগ্য, একথা বলল কে?
যন্তর মন্তরে ছাত্র বিক্ষোভকে উপেক্ষা করার পর গত ২০ জুলাই ছাত্র মিছিলে নির্বিচারে লাঠি, পেলেট গান চালায় দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদ এড়িয়ে যাচ্ছেন, জবাবদিহি করছেন না। এর মধ্যে কম সময়ের ব্যবধানে তিনটি রিল ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন মোদী। গত ৩০ জুলাইয়ের রিলে ‘কুকথা বলা সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীদের ক্ষমা’ করার ভাষণ দেন।
ক্ষমা যদিও দিল্লি বা বিজেপি সরকারের পুলিশ করছে না। ছাত্রছাত্রীদের হেনস্তা চালাচ্ছে পুলিশ। বহু অংশই বিজেপি এবং অনুগত সংবাদমাধ্যমের প্রধানমন্ত্রীকে কুকথা বলার জন্য ছাত্রছাত্রীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে নেমে পড়েছে।
গতকাল, সোমবার, এই প্রসঙ্গেই সিজেপি’র প্রধান সংগঠন অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, প্রতিবাদে নেমে কেউ কুকথা বললে সমর্থন করছি না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর অনুগামী এবং তাঁর দলের নেতারা যে অজস্র কুকথা বলে আসছেন, তার বেলায় তিনি চূপ থাকেন কেন?
Rahul on Modi's forgiveness
প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা করার কে? প্রশ্ন তুললেন রাহুল
×
Comments :0