অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য ৩৬ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। উল্লেখ্য তৃণমূল সরকারের আমলে এই প্রকল্পের নাম ছিল লক্ষ্মীর ভান্ডার। তার জন্য তারা বরাদ্দ করেছিল ২৬ হাজার কোটি টাকা। প্রাপকরা মাসে পেতেন ১৫০০ টাকা। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বদলেছে প্রকল্পের নাম, হয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডার। বেড়েছে টাকার অঙ্ক। দেড় হাজারের বদলে তিন হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে। তাহলে হিসাব মতো বরাদ্দ হওয়ার কথা ছিল ৫২ হাজার কোটি টাকা। সেখানে কেন ৩৬ হাজার কোটি? তাহলে কি প্রাপকের সংখ্যা কমছে? অন্তত বরাদ্দ তাই বলছে।
বাজেটের পর মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন সরকারি প্রকল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝাড়াই বাছাই করা হবে। অর্থাৎ নাম বাদ যাবে অনেকের। ইতিমধ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে ফর্ম জমা দিতে গিয়ে নিজের এবং পরিবারের বাকি সদস্যদের একাধিক নথি এমনকি বাড়ির দলিলের কপি পর্যন্ত জমা দিতে হয়েছে। যা নিয়ে হয়েছে বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন রাজ্যে এক কোটির বেশি মহিলা এই প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।
এছাড়া কলেজের ছাত্রীদের ড্রপ আউট আটকাতে এককালিন যেই ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা অবিবাহীত ছাত্রীদের দেওয়ার কথা বাজেটে বলা হয়েছে তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা।
Annapurna Bhandar
কমছে অন্নপূর্ণা প্রাপকের সংখ্যা, এমনই বলছে বরাদ্দের পরিমান
×
Comments :0