Rabies Vaccine

লুকিয়ে ছিল কুকুরের আঁচড়, ৬ মাস বাদে মৃত্যু শিশুর

জাতীয়

কামড়ও নয়, আঁচড় দিয়েছিল কুকুর। ইঞ্জেকশনের ভয়ে পুরোটাই চেপে গিয়েছিল ৯ বছরের শিশু। ঘটনার ছয় মাস কেটে যাওয়ার পর মুম্বাইয়ের ওই শিশুর মৃত্যু হয়েছে জলাতঙ্কেই। 
কুকুরের কামড়ের পরপরই র‌্যাবিস রোধের ভ্যাকসিন নিতে বলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু অনেকক্ষেত্রে তা নেওয়া হয় না। আবার পুরো চিকিৎসা না করানোর ঘটনাও দেখা যাচ্ছে। মুম্বাইয়ের এই ঘটনার পরও চিকিৎসকদের অনেকে তা মনে করিয়েছেন।
চিকিৎসকদের বক্তব্য, কেবল কামড়ই নয়। নখ বা দাঁতের আঁচড়ের ক্ষেত্রেও নিতে হবে ভ্যাকসিন। কারণ ভাইরাস রক্তের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু‘ জানাচ্ছে যে ভারতে বছরে ১৮-২০ হাজার মৃত্যুর কারণ র‌্যাাবিস। গোটা বিশ্বে এই জীবানুতে মৃত্যুর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভারতে। 
রোগী পরিবারের বক্তব্য, সরকারি পরিকাঠামোয় চিকিৎসা না করা গেলে বাইরে থেকে ইঞ্জেকশন কিনতে খরচ অনেকটাই। 
চিকিৎসকেরা বলছেন, র‌্যাবিস রোধে ভ্যাকসিন নিলে তাকে যেমন ঠেকানো যায় তেমন উপসর্গ একবার দেখা দিলে রোগীকে বাঁচানো কঠিন। স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে সংক্রমণ পৌঁছায় মস্তিষ্কে।  
২০২৫ সালে বিজ্ঞান পত্রিকা ‘ল্যানসেট‘ দেখায় যে ভারতে বছরে ৯০ লক্ষ ঘটনা দেখা যায় যেখানে জানোয়ার মানুষজকে কামড়েছে। রাস্তার কুকুরদের ভ্যাকসিন দেওয়া হয় না। তার জন্য র‌্যাবিসের ঝুঁকি বাড়ে।

Comments :0

Login to leave a comment