CBSE OSM Standing Committee

সিবিএসই-র বরাতেই বেনিয়ম, সংসদীয় কমিটিকে দেখালো সতেরো বছরের সিদ্ধান্ত

জাতীয়

পরীক্ষার খাতা দেখার পদ্ধতি বদলেছিল কেন্দ্রীয় বোর্ড সিবিএসই। চালু করেছিল ‘অন স্ক্রিন মার্কিং’ পদ্ধতি। কিন্তু কারিগরি ব্যবস্থাপনার বরাতেই বেনিয়ম ছিল। সংসদীয় কমিটির কাছে সেই গরমিলের বিশদ ব্যাখ্যা দিল সতের বছরের ব্লগার সার্থক সিদ্ধান্ত।  
সিবিএসই-র ‘অন স্ক্রিন মার্কিং‘ বা ওএসএম ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে ফলাফলে বিপর্যয়ের পর। সিবিএসই-র দ্বাদশে পাসের হার সাত বছরে সর্বনিম্ন। রিভিউর আবেদন করে খাতা দেখতে চেয়ে মিলেছে অন্যের খাতা। খাতার পাতা পাওয়া যায়নি অনেক ক্ষেত্রে, কখনও অস্পষ্ট দেখা গিয়েছে। প্রায় ১.২৭ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে খাতা দেখার জন্য। 
সিবিএসই ওএসএম প্রযুক্তি সামলানোর বরাত দিয়েছিল কোয়েমপ্ট এডুটেক সংস্থাকে। এর আগে তেলেঙ্গানায় ফলাফল বিপর্যয়ে এই সংস্থাকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠা সত্ত্বেও দেওয়া হয়েছিল দায়িত্ব। প্রশ্ন উঠেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং সিবিএসই-র বরাত দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েই।
মঙ্গলবার সংসদের শিক্ষা, নারী ও শিশু কল্যাণ, যুব কল্যাণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির কাছে বরাত প্রক্রিয়ায় গরমিলের তথ্য দিয়েছে সিদ্ধান্ত।
সিবিএসই নিয়ে দেশময় শোরগোলের মধ্যে সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত বিষয়ক পোর্টাল ঘাঁটতে শুরু করে। সংসদীয় কমিটিকে সে দেখিয়েছে যে চালু বিধি থেকে সরে আসা হয়েছে কোয়েমপ্ট-কে বরাত দেওয়ার বেলায়। কালো তালিকায় থাকা সংস্থাকে বাদ দেওয়া বা আর্থিক যোগ্যতার মতো বিধি বাদ রাখা হয়েছিল। 
সার্থকের বক্তব্য, প্রযুক্তি হিসেবে ওএসএম ব্যবহার করা হতেই পারে। কিন্তু তার জন্য প্রস্তুতি দরকার। পাইলট প্রজেক্ট করে দেখে নেওয়া দরকার কোথায় সমস্যা হতে পারে। সিবিএসই-র দ্বাদশের খাতা মূল্যায়নে তা হয়নি। 
এবার সিবিএসই-র পরীক্ষা হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু মাত্র দু’মাসের কিছু আগে, ৫ ডিসেম্বর, দেওয়া হয় বরাত।   
দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদের জেরে সিবিএসই-র চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে বদলি করা হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরানোর দাবি জোরালো। তাঁর মেয়াদে সিবিএসই থেকে ‘নিট’, সিইউইটি’র মতো সর্বভারতীয় স্তরের পরীক্ষায় বারবার বেনিয়ম দেখা গিয়েছে। 

Comments :0

Login to leave a comment