CPI(M) Polit Bureau

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভরত শতাধিক যুব-ছাত্র আটক, কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ পলিট ব্যুরোর

জাতীয়

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভরত শতাধিক যুব ও ছাত্র-ছাত্রীদের আটকের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাল সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো।
শুক্রবার দিল্লির যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে জড়ো হয়েছিল ডিওয়াইএফআই, এসএফআই সহ বিভিন্ন বামপন্থী যুব ও ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা। পলিট ব্যুরোর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্বাচনী দপ্তরে পরিণত হয়েছে।
পলিট ব্যুরোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ গোটা শহরকে দুর্গে পরিণত করে এবং যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়া সকলকেই আটক করে। সংবিধান প্রদত্ত গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকার খর্ব করে যন্তর মন্তরের মতো নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলেও জমায়েতের অনুমতি দেয়নি পুলিশ। সমস্ত বাধা, ব্যারিকেড এবং পুলিশি জুলুম উপেক্ষা করেও শতাধিক যুব-ছাত্র সেখানে জড়ো হন। পুলিশ তাঁদের টেনে হিঁচড়ে বাসে তোলে, যাতে অনেকেই আহত হন। সমস্ত কর্মীকে আটক করতেই পুলিশের দু ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়, যা থেকেই বোঝা যায় যুবরা কতটা কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।

এই ঘটনায় সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, প্রবীণ নেত্রী বৃন্দা কারাত, ডিওয়াইএফআই-এর সাধারণ সম্পাদক হিমগ্নরাজ ভট্টাচার্য, ডিওয়াইএফআই সভাপতি ও সাংসদ এ এ রহিম, এসএফআই সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য, এসএফআই সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং এসএফআই-এর যুগ্ম সম্পাদক ও জেএনইউএসইউ-এর প্রাক্তন সভাপতি ঐশী ঘোষ সহ অন্যান্য নেতাদের আটক করা হয়েছে।

পলিট ব্যুরোর বক্তব্য, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে গণতান্ত্রিক অধিকার মারাত্মকভাবে খর্ব করা হচ্ছে। যন্তর মন্তরের মতো নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলেও প্রতিবাদের অনুমতি না দেওয়াই প্রমাণ করে এই সরকার কতটা অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে।
পলিটব্যুরো সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে প্রতিবাদে সামিল হওয়া যুব-ছাত্র ও সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছে। গণতন্ত্র রক্ষা এবং নির্বাচন কমিশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার এই আন্দোলন চলবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
একইসঙ্গে পলিট ব্যুরো অবিলম্বে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ, এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ এবং আটক হওয়া সমস্ত বিক্ষোভকারীকে মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

Comments :0

Login to leave a comment