Hawker Eviction

হকার উচ্ছেদের নামে কর্পোরেট দখলদারি

সম্পাদকীয় বিভাগ

দেবাশিস মিথিয়া
দমদম স্টেশনের কোল ঘেঁষে মন্টু দাশের ভাতের হোটেল, যা দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর ধরে  যাত্রী আর দিনমজুরদের সস্তায় খাবারের জোগান দিয়ে এসেছে। এমন দোকানগুলি আজ শুধুই ধ্বংসস্তূপ। সকালে রুজি-রুটির খোঁজে এসে দোকানিরা দেখলেন, তাঁদের জীবন-জীবিকার শেষ সম্বলটুকু মাটিতে মিশে গেছে। তাঁরা ঝাপসা চোখে ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে রইলেন, আর প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে শুনলেন রাতের অন্ধকারে একটি বুলডোজার এসে নির্বিচারে সবকিছু গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিণতি আজ রাজ্যের কয়েক হাজার হকারের। বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বে হকাররা যখন একরাশ হতাশা আর যন্ত্রণা নিয়ে রেল আধিকারিকদের বিক্ষোভ দেখান, তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় — “স্টেশনের আধুনিকীকরণ হচ্ছে। এটা করতে গেলে বেআইনি ঝুপড়ি তো সরাতেই হবে। নতুন কিছু তৈরি হওয়ার জন্য এইটুকু ভাঙাভাঙি তো মেনে নিতেই হয়!” কোনো নোটিশ ছাড়া, বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা না করে, বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকু ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়ার পর, এই প্রান্তিক মানুষদের কাছে ‘নতুন কিছু’ সৃষ্টির গল্পটা অর্থহীন। অথচ রেল প্রশাসন বড় বড় পোস্টার ঝুলিয়ে বলছে— “আধুনিক স্টেশন ও পরিচ্ছন্ন শহর প্রগতির প্রতীক”। আর এই তথাকথিত প্রগতির বেদীতেই উৎসর্গ করে দেওয়া হচ্ছে রেল লাইনধারের শত শত হকারের জীবন-জীবিকা।
রেলের আধুনিকীকরণ ও উচ্ছেদ
প্রশাসনের দাবি করা এই ‘আধুনিকীকরণ’ আসলে রেল দপ্তরের ‘অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম’-এর রূপায়ণ। ২০২৩ সাল থেকে দেশজুড়ে জোরকদমে চালু হওয়া এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ছোট, মাঝারি এবং বড় রেল স্টেশনগুলির খোলনলচে বদলে ফেলা। অর্থাৎ, স্টেশন চত্বরকে গ্লাস-ফাইবার আর কংক্রিটের আধুনিক স্থাপত্যে ঝাঁ-চকচকে করে তোলা এবং একইসঙ্গে শহরের অন্যান্য গণপরিবহনের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করার এক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। এরই জন্য প্রয়োজন স্টেশন সংলগ্ন রাস্তাকে চওড়া করা। সেটা বানানোর তাগিদেই বছরের পর বছর স্টেশন চত্বরকে আশ্রয় করে বেঁচে থাকা হকার, দোকানদার এবং ফুটপাথবাসীদের কোনো পুনর্বাসন ছাড়াই রাতারাতি উচ্ছেদ করার ধুম লেগেছে। রেল প্রশাসন উচ্ছেদের পেছনে নানা অজুহাত খাড়া করলেও, এই সুপরিকল্পিত অভিযানের আসল উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে ‘অমৃত ভারত স্টেশন স্কিম’-এর ভিতরেই। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং উন্নয়নের নামে স্টেশন চত্বরের খোলনলচে বদলে কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়ার একটা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লু-প্রিন্ট।
ফুটপাথ মুক্ত করার নেপথ্যে
একই ছবি দেখা যাচ্ছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলিতেও। সেখানে সৌন্দর্যায়নের নামে ‘ফুটপাথ মুক্ত’ করার অভিযান চলছে। যে হকাররা কম দামে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দেন, পুনর্বাসনের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়াই তাঁদের ওপর নামিয়ে আনা হচ্ছে উচ্ছেদের খাঁড়া। বিভিন্ন অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, শুধু কলকাতা শহরেই হকারদের অর্থনীতির বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (যা ভারতীয় মুদ্রায় ৯,০০০ কোটি টাকারও বেশি)। প্রশ্ন জাগে, এই উচ্ছেদ কি শুধুই সৌন্দর্যায়ন, নাকি এই বিশাল বাজারকে কর্পোরেট ও বড় পুঁজির একচেটিয়া দখলে নেওয়ার এক সুপরিকল্পিত ছক? হকারদের এই স্বাধীন ও স্বনির্ভর বাজারটিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারলে, সেই বিশাল সংখ্যার ক্রেতাদের বাধ্য হয়ে কর্পোরেট মল, সুপারমার্কেট কিংবা বড় পুঁজিপতিদের রিটেল চেইনের দরজায় গিয়ে দাঁড়াতে হবে।
‘সৃজনশীল ধ্বংস’ ও নিষ্ঠুর বাস্তব
উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে নতুন কিছু করার তাগিদে পুরনোকে ভেঙে ফেলার এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ‘ক্রিয়েটিভ ডেসট্রাকশন’ বা ‘সৃজনশীল ধ্বংস’। পুঁজিবাদ যে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল, তার সেই চরিত্র বোঝাতে গিয়েই অর্থনীতিবিদ জোসেফ শুম্পেটার প্রথম এই ধারণাটি ব্যবহার করেছিলেন। পরবর্তীতে ফিলিপ অ্যাঘিয়নের গাণিতিক রূপরেখা পেরিয়ে ২০২৪ সালের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড্যারন অ্যাসেমোগলু এই তত্ত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। জেমস এ. রবিনসনের সঙ্গে যৌথভাবে লেখা তাঁদের বিখ্যাত বই ‘Why Nations Fail’-এ তাঁরা দেখিয়েছেন, কোনো দেশ তখনই উন্নত হয় যখন সেখানে ‘সৃজনশীল ধ্বংস’ ঘটানোর মতো উপযুক্ত পরিবেশ থাকে। এই তত্ত্বে আরও বলা হয়েছে, নতুন প্রযুক্তি এসে পুরোনোকে চ্যালেঞ্জ জানাবে এবং আগের কাঠামো ভেঙে আধুনিক কিছু গড়বে—যেমন, অ্যানালগ ক্যামেরাকে সরিয়ে জায়গা নিয়েছে ডিজিটাল ক্যামেরা। শুম্পেটার বা অ্যাসেমোগলুর তত্ত্বকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনেকেই এই হকার উচ্ছেদ বা ভাঙাভাঙিকে সমর্থন করছেন। কিন্তু ভুললে চলবে না, এই তত্ত্বের মৌলিক শর্তই হলো ‘ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষা’। অ্যাসেমোগলু জোরালোভাবে মনে করিয়ে দিয়েছেন, এই ধ্বংস তখনই প্রকৃত অর্থে ‘সৃজনশীল’ হয়ে ওঠে, যখন রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্তদের সামাজিক বা অর্থনৈতিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করে। কিন্তু আমাদের রাজ্যে পুনর্বাসনের কোন বিকল্প ব্যবস্থা না করে, এই বিশাল স্থানীয় অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে; যার অনিবার্য পরিণতিতে এক ধাক্কায় হাজার হাজার মানুষ চরম দারিদ্র্য ও আত্মহননের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। এই ‘আধুনিকীকরণ’ আসলে এক ধরনের নগ্ন হিংসা, যেখানে স্টেশনের সৌন্দর্য বাড়াতে মানুষের জীবনকে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে।
আইনি তত্ত্বে ‘গরিবের সম্পদ লুঠ’
ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের প্রেক্ষিতে এই ‘সৃজনশীল ধ্বংস’ আসলে সাধারণ মানুষকে ভিটেমাটি থেকে সরানোর একটা আইনি অজুহাত মাত্র। এ দেশের যে কোন শহরের জমি-রাজনীতির দিকে তাকালে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। সেখানে কোন অদক্ষ বা পুরোনো প্রযুক্তিকে উন্নত প্রযুক্তি এসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরিয়ে দিচ্ছে না। বরং যা ঘটছে, তা হলো প্রগতির নামে স্রেফ গরিবের ‘সম্পদ লুঠ’। মার্ক্সীয় অর্থনীতিতে এটিকে বলা হয় ‘Accumulation by Dispossession’ বা ‘লুঠের মাধ্যমে পুঁজি সঞ্চয়’ (ডেভিড হার্ভের তত্ত্ব)। মুম্বাই বা দিল্লির বস্তি কিংবা বাংলার ফুটপাথ ভেঙে যখন বিলাসবহুল আবাসন বা শপিং মল তৈরি হয়, তখন সেটা কোন নতুন উদ্ভাবন নয়। সেটি আসলে গরিবের মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকু কেড়ে নিয়ে ধনীদের পকেট ভরানোর একটি পরিকল্পিত খেলা। মূলধারার অর্থনীতিবিদদের মডেলগুলো সাধারণত অত্যন্ত জটিল সব গাণিতিক হিসেবের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, যা সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই দুর্বোধ্য। এই গাণিতিক মারপ্যাঁচ আসলে উন্নয়নের নামে মানুষের বাস্তুচ্যুতি আর পরিবেশ ধ্বংসকে এক ধরনের ‘বৈজ্ঞানিক বৈধতা’ দেয়। এই তত্ত্বগুলো শেষ পর্যন্ত প্রান্তিক মানুষের জীবন-জীবিকা ধ্বংসকারী কর্পোরেট পুঁজির আগ্রাসনকেই আড়াল করে। তাই এই তথাকথিত উন্নয়ন সাধারণ মানুষের কাছে মোটেই স্বপ্নের নয়, বরং এটি তাঁদের কাছে এক মরণফাঁদ।
‘রেন্ট-সিকিং’ ও নির্বাচিত ধ্বংস
উন্নয়নের গালভরা বুলি দিয়ে বোঝানো হয় যে, পুরোনো পরিকাঠামো ভাঙা ছাড়া প্রগতি অসম্ভব। কিন্তু ভারতীয় বাস্তবতায় ‘রেন্ট-সিকিং’-এর একচেটিয়া আধিপত্য স্পষ্ট দেখা যায়, যেখানে কেউ নতুন কোনো সম্পদ সৃষ্টি করে না, অথচ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্যের সম্পদ থেকে নিজের মুনাফা বাড়িয়ে নেয়। মুম্বাইয়ের বস্তি পুনর্বাসন কর্তৃপক্ষের দিকে তাকালে সেটা স্পষ্ট হয়। এরা ঘর তৈরি করার নামে জমি ফাঁকা করেছে। কিন্তু বস্তিবাসীদের জন্য বাড়ি তৈরি না করে ওই ফাঁকা জমির দাম বাড়ার জন্য অপেক্ষা করেছে এবং পরে বড় কোনো কর্পোরেট গোষ্ঠীর কাছে তা চড়া দামে বিক্রি করে দিয়েছে। ২০ বছরে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১০% বস্তিবাসী ঘর পেয়েছেন—এই একটি তথ্যই বলে দেয় যে, পুনর্বাসন করা আসলে লক্ষ্যই ছিল না, লক্ষ্য ছিল তাঁদের ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা। এটি কোনো ‘সৃজনশীল’ কাজ নয়; এটি আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সম্পদ চুরি করা।
একইভাবে, আদালতের রায়কে কাজে লাগিয়ে দিল্লির যমুনা নদীর পাড় থেকে ৩ লক্ষাধিক মানুষকে ‘অবৈধ’ বলে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। অথচ অদ্ভুত বিষয় হলো, একই যমুনার তীরে যখন বড় বড় শপিং মল বা মেট্রোর ডিপো তৈরি হয়, তখন পরিবেশের দোহাই বা ‘অবৈধ’ তকমা রাতারাতি উধাও হয়ে যায়। এই যে বেছে বেছে গরিবের ঘরেই বুলডোজার চালানো, একেই বলা যায় ‘নির্বাচিত ধ্বংস’। উন্নয়ন মানেই যে তা সবার জন্য ‘মঙ্গলজনক’ হবে—এমনটা নয়, বরং এটি একটি বিশেষ রাজনৈতিক কৌশল। রাষ্ট্র এখানে নিরপেক্ষ নয়, সে আসলে পুঁজিপতিদের স্বার্থেরই পাহারাদার।
জল-জঙ্গল-জমি গ্রাস
শহরে রেললাইনের হকার উচ্ছেদ থেকে শুরু করে গ্রামীণ ভারতের জল-জঙ্গল-জমি গ্রাস—এই সবকিছুর নেপথ্যেই কাজ করছে কর্পোরেট পুঁজির এক সুপরিকল্পিত ছক। আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাগুলো আলাদা মনে হলেও, আসলে ফুটপাথের স্বাধীন বাজার ভাঙা এবং আদিবাসীদের ভিটেমাটি কেড়ে নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য একটাই—সাধারণ মানুষের সম্পদ ও জীবিকা লুঠ করে তা বড় পুঁজিপতিদের হাতে তুলে দেওয়া। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ ছত্তিশগড়ের হাসদেও অরণ্য। ভারতের এই বিশাল অক্সিজেন ভাণ্ডারের তলায় লুকিয়ে আছে কয়লা। সেই কয়লা তুলতেই সরকার জঙ্গলটি এক কর্পোরেট গোষ্ঠীকে লিজ দিয়েছে। সেখানে আজ কয়েক লক্ষ পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে। এটা শুধু জঙ্গল শেষ করা নয়; হাজার হাজার আদিবাসী পরিবারের জীবন আর বাস্তুতন্ত্রকে খুন করা হচ্ছে। বন সুরক্ষা আইন বদলে গ্রামসভার অনুমতি নেওয়ার নিয়মটুকু পর্যন্ত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো ‘নতুন প্রযুক্তি’ আসেনি, শুধু আদিবাসীদের অধিকার কেড়ে নিয়ে কর্পোরেট স্বার্থকে আইনি সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। তাই এটা কোনো সৃজনশীল ধ্বংস নয়, এটা স্রেফ জঙ্গল লুঠ। এর পাশাপাশি রয়েছে ওড়িশার নিয়মগিরি এবং ঝাড়খণ্ডের যদুগোড়ার মতো আরও কিছু নির্মম বাস্তব। নিয়মগিরিতে বেদান্তের বক্সাইট খনির জন্য পাহাড় ধ্বংস করে আদিবাসীদের অস্তিত্ব বিপন্ন করা হচ্ছে। আর যদুগোড়ায় ইউরেনিয়াম কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার খনি থেকে বেরোনো তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের পাশে বাঁচতে বাধ্য করা হচ্ছে স্থানীয় মানুষদের। তার মাশুল গুনছে তাঁদের আগামী প্রজন্ম—সেখানে একের পর এক শিশু জন্মাচ্ছে বিকলাঙ্গ হয়ে। তিলে তিলে প্রকৃতি এবং মানুষের জীবনকে শেষ করার এই যে প্রাতিষ্ঠানিক খেলা, একেই সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন ‘স্লো ভায়োলেন্স’।
উপসংহার
আমাদের দেশে সৃজনশীল ধ্বংসের নামে মানুষের জীবন আর জীবিকাকে মূল্যহীন করে বড় পুঁজিপতিদের হাতে সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছে। এটি শুধু জমি বা জঙ্গল কেড়ে নেয় না, আইনের মারপ্যাঁচে একটি জনপদের ভবিষ্যৎ আর তাঁদের পরিচয়কে চিরতরে ধুলোয় মিশিয়ে দেয়। তাই পরিশেষে বলতেই হয়, উন্নয়নের নামে যখন মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তখন গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিটাই নড়বড়ে হয়ে পড়ে। উন্নয়ন যদি মানুষের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে কেবল বড় বড় লগ্নিকারীদের পকেট ভরানোর মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়, তবে তা আর উন্নয়ন থাকে না। রাষ্ট্রকে আজ সিদ্ধান্ত নিতে হবে—দেশের সম্পদের ওপর শেষ অধিকার কার থাকবে? কর্পোরেট পুঁজির একচেটিয়া মুনাফার, নাকি প্রান্তিক মানুষের জীবন ও জীবিকার?

Comments :0

Login to leave a comment