Health Card or Universal Health

চাই সর্বজনীন স্বাস্থ্য, কার্ড নিয়ে কি হবে

সম্পাদকীয় বিভাগ

ডাঃ মানস গুমটা
অভয়ার নারকীয় প্রাতিষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে থাকলেও—একটা অভিযোগ কেন্দ্রের নেতা-মন্ত্রীদের মুখে প্রায় শোনা যায়। সেটা হলো গেরুয়া কার্ডকে এন্ট্রি দিচ্ছে না রাজ্যের শাসক। অথচ ওই কার্ডে নাকি ফাইভ স্টার স্বাস্থ্য পাওয়ার ব্যবস্থাপনা আছে। দেশের যে কোনও হাসপাতালে গেলেই মিলবে সেই স্বাস্থ্য। খামোকা রাজনীতি করে, মহামূল্য!!! ওই গেরুয়া কার্ডকে নাকি সাইড লাইনের বাইরে বসিয়ে রেখেছে রাজ্যের শাসক। সাদা মনে কালো প্রশ্ন— যে দেশের রাজধানীতে ২০ লক্ষের কোভিড প্যাকেজ বিক্রি হওয়া, গঙ্গা দিয়ে শত শত ভারতবাসীর লাশ ভেসে যাওয়া, একটি নল থেকে পালা করে অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকার দুঃসহ স্মৃতি এখনো টাটকা—যে দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ পরিস্রুত জল পায় না, যে দেশের ১৯ শতাংশ মানুষের ঘরে শৌচাগার নেই—সেই দেশের শাসক কেন শুধু কার্ডের কথা বলে? কেন বলেনা টিবি রোগের ওষুধ সময়ে পাওয়া যাবে কি না? কেন বলে না স্কুলের ছেলেমেয়ে গুলো মিড ডে মিলে ডিম পাবে কি না? কেন বলে না স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়ানোর কথা? কেন তাঁরা গোপন করে ক্ষুধা সূচকে আমাদের স্থান ১১১ আর দারিদ্র সূচকে ১৩৪। অমৃতকালেও কেন সবচেয়ে বেশি যক্ষ্ণা রুগী, সবচেয়ে বেশি অপুষ্ট শিশুর বাস হবে আমাদের দেশ? কেন আমরা মারণ রোগ থেকে বাঁচতে ভাবিজি পাঁপড় খাবো, রোদে শুয়ে থাকবো, থালা বাজাবো? দেশের যে বিপুল অংশের মানুষ কোনোরকম স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় পৌঁছাতেই পারে না তাঁরা কি করবে এই কার্ড নিয়ে ?
এদিকে রাজ্যের মাঠে এখন দাপিয়ে খেলছে নীল-সাদা কার্ড। গালভরা নাম স্বাস্থ্যসাথী। এটিএম কার্ডের মতো। পাঁচ লাখ নাকি রাখা আছে ওই কার্ডে। গোটা পরিবার ভাগ করে নিতে পারবে বলেই প্রচার। আমার আপনার স্বাস্থ্যের ঠিকানা এখন এই কার্ড। অস্বীকার করার উপায় নেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। প্রায় ৮০ শতাংশ বঙ্গবাসীর ঘরে এখন এই কার্ড। কিছু সুবিধাও মানুষ পাচ্ছে। যদিও একটি সাম্প্রতিক বেসরকারি সমীক্ষায় জানা গেছে মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ বর্তমানে এই কার্ড ব্যবহার করছেন। এবং গরিব, প্রান্তিক, তফসিলি জাতির মধ্যে এই কার্ডে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা আরও কম।  
বর্তমানে বিনামূল্যের সরকারি হাসপাতালেও ইন্ডোর চিকিৎসার জন্যে এই কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হার্ট অ্যাটাক হলেও লাগবে, ব্রেন স্ট্রোক হলেও লাগবে। দুর্ঘটনা হলেও পকেট থেকে বার করতে হবে এই কার্ড। পরিস্থিতি যা, তাতে পরিবারের মানুষ বাইরে বেরোলে পকেটে নীল-সাদা কার্ড গুঁজে দেওয়াই ভালো। কড়া নির্দেশ আছে সব হাসপাতাল সুপারদের। প্রতি মাসে জানাতে হবে তার নিজের হাসপাতাল এই কার্ডে কত রোজগার হলো। তবে কার্ড নিয়ে ভর্তি হলে জামাই আদর পাওয়া যায় এমন নয়। একই বেড, একই ডাক্তার। আগেভাগে অপারেশন বা সিটি স্ক্যান, এমআরআই হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরঞ্চ অপারেশন দেরি হয়ে যেতে পারে। আপনার কার্ডের টাকায় যতক্ষণ না ইমপ্ল্যান্ট, স্টেন্ট, পেসমেকার কেনা হচ্ছে ততদিন আপনাকে হাসপাতালে গালে হাত দিয়ে বসে থাকতে হতে পারে। মাছের তেলে মাছ ভাজা। বিনামূল্যের চিকিৎসার সরকারি হাসপাতালে কার্ড লাগবে কেন প্রশ্ন করলে বিপদ আছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেলে, নীল-সাদা ব্যাজ পরা স্বাস্থ্যকর্মীরা অযাচিতভাবে খোঁজ নিচ্ছেন। জানতে চাইছে কোন বিভাগ। কার্ড আছে কি না। আপনি মাটিতে না ট্রলিতে জায়গা পেলেন, দু’-তিন জনকে এক বেডে থাকতে হবে কিনা—এই সব বেয়াড়া প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। আপনার কার্ডটা একটা যন্ত্রে ঢুকে যাবে। প্রতিটি হাসপাতালে "মে আই হেল্প" ডেস্কগুলোর কাজ আপনাকে ওয়ার্ড চিনিয়ে দেওয়া নয়। কোথায় স্ক্যান হবে বলে দেওয়া নয়। কোথায় ট্রলি পাওয়া যাবে তার হদিশ দেওয়া নয়। সরকার এই ডেস্কের কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব দিয়েছে আপনার কাছে এই কার্ড আছে কিনা খোঁজ নেওয়ার। 
তবে আউটডোরে দেখাতে গেলে কেউ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে ভাবলে ভুল করবেন। আউটডোর চিকিৎসার টিকিটের দীর্ঘ লাইন,পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যে অনন্ত অপেক্ষা, অপারেশনের ডেট পেতে বছর ঘুরে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের ওষুধ না পাওয়ার যন্ত্রণার বিশেষ কোনও পরিবর্তন হয়েছে বলে শোনা যায়নি। কারণ ওই নীল-সাদা কার্ডে আউটডোর চিকিৎসার সুযোগই নেই। অথচ মানুষকে নিজের পকেট থেকেই ৪৬ শতাংশ টাকা খরচ করতে হয় আউটডোর চিকিৎসার ওষুধ,পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্যে। 
গোল বাধছে একটি বিষয়ে। চারিদিকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাওয়ার চোখ ধাঁধানো ফ্লেক্স, হোর্ডিং, বিজ্ঞাপন—তাহলে কার্ড লাগবে কেন? কি এমন বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ওই কার্ডে? বিশেষ খাবার, বিশেষ যত্ন, বিনামূল্যে আয়া, নার্সদের বিশেষ নজর, বেড প্যান চাইলে মুহূর্তে পেয়ে যাওয়া—মায় পরিষ্কার বেড সিট বা ছারপোকা ছাড়া বেড? সব কিছুর উত্তর কিন্তু শুধুই না। কার্ডে ভর্তি মানেই আপনার অপারেশনের তারিখ আগে পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আপনার পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলো আগে হয়ে যাবে এরকম নিশ্চয়তা নেই। আপনাকে গাঁটের কড়ি ফেলতেই হবে ট্রলি ঠেলার লোক পেতেও। এটাও হতে পারে কার্ডে ভর্তি হয়ে আপনি হয়তো আছেন মাটিতে বা ট্রলিতে। 
অন্যদিকে নার্সিংহোম বা কর্পোরেট হাসপাতালে এই নীল-সাদা কার্ডে স্বাস্থ্য পেতে গেলে আরেক বিপদ। অ্যা ম্বুলেন্স না ছাড়াই ভালো।  "বেড নেই" শোনাটাই স্বাভাবিক। ফলে পিং পং বলের দশা হতে পারে ক্রিটিক্যাল রুগীর। স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীরা সীমাহীন ছল চাতুরি করলেও, তাঁদের সব দাবি অন্যায্য একথা বলা যায় না। সব রোগ, সব অপারেশনের কি প্যাকেজ হয়? দিনের পর দিন কোনও ব্যবসা কি ধারে চলতে পারে? সরকারি প্রচারের খপ্পরে পড়ে প্রান্তিক,গরিব মানুষ দামি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেলে সে আর এক বিপর্যয়। প্যাকেজের টাকা শেষ হয়ে গেলে মানুষটি যাবেন কোথায়? হয় চিকিৎসা শেষ হওয়ার আগেই ছুটি করিয়ে নিতে হবে, অথবা ঘটি বাটি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে যেতে হবে। আশঙ্কা নয়—বরঞ্চ এটাই এখন নিদারুণ বাস্তবতা। তথ্য বলছে প্রতি ৬ জনের মধ্যে একজন রাজ্যবাসী শুধুমাত্র এই "বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয়ের" জন্যে দারিদ্র সীমার নিচে চলে যাচ্ছে প্রতি বছর। 
অন্যদিকে হরেক রকমের পশরা সাজিয়ে বসা শপিং মলের মতো বিপুল ফাইভ স্টার কর্পোরেট হাসপাতাল যেমন বর্তমানের স্বাস্থ্য অভিমুখ—তেমনি চোখে পড়ার মতো দ্রুত পরিবর্তন হয়ে চলেছে জেলা সদর, মফস্বল অথবা গঞ্জ এলাকায়। ব্যাঙের ছাতার মতো, মুড়ি মুড়কির মতো দ্রুত গজিয়ে উঠছে নার্সিংহোম, পলি ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক, ওষুধের দোকান। কোনও কোনও শহরে চায়ের দোকানের চেয়েও বেশি এই ধরনের বেসরকারি সেন্টারের সংখ্যা। সাইন বোর্ডে চিকিৎসকদের দীর্ঘ নামের তালিকা। সূর্য ওঠার আগেই খুলে যাবে এই সব সেন্টারের দরজা। এলাকা জুড়ে শুরু হয়ে যাবে অটো, টোটোর দাপাদাপি। জেলার প্রান্তিক, গরিব মানুষকে সাত সকালেই দাঁড়াতে হবে লাইনে। ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা, ওষুধ কেনা, দরকারে ভর্তি হওয়া— সে এক বিরাট ফিরিস্তি। ভয়ঙ্কর ব্যস্ততা। লক্ষ লক্ষ টাকার বেচাকেনা। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে—এতই যদি স্বাস্থ্যের উন্নতি তাহলে প্রান্তিক মানুষ সাত সকালেই বেসরকারি সেন্টারের লাইনে কেন? কেন আটকানো গেল না সরকারি হাসপাতালে শৌচাগার খুঁজতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু? কেন লিফটের মধ্যে আটকে গেলো তরুণ তরতাজা প্রাণ?
সর্বজনীন স্বাস্থ্যের মূল ভিত্তি প্রতিরোধ মূলক স্বাস্থ্য। দরকার সবার জন্যে পরিস্রুত জল। দূষণহীন পরিবেশ। নিকাশি ব্যবস্থা। মা-শিশুর পুষ্টি। জন্মের পরে শিশুর পরিচর্যা-টিকাকরণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ স্বাস্থ্য বরাদ্দের ৭০ শতাংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যে ব্যয়। যদিও আমাদের দেশ মাত্র ১১ শতাংশেই দাঁড়ি টেনেছে। দেশের এক বিপুল জনসংখ্যার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, ফুসফুসের অসুখ। এমনকি দ্রুত বাড়ছে ক্যানসারের প্রকোপ। এই সমস্ত মানুষকে বিনামূল্যে জীবনদায়ী ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করাও জরুরি। 
কিন্তু কোনও সরকারই জনগণের স্বাস্থ্যের জন্যে ভাবিত নয়। মানুষের "নিশ্চিত স্বাস্থ্যের" পরিবর্তে তাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীদের উদর পূর্তি। সরকার এখন পরিষেবা প্রদানকারী নয় স্বাস্থ্য ব্যবসার অর্থলগ্নিকারী। "স্বাস্থ্যসাথী"  বা "আয়ুষ্মান ভারত " প্রকল্পের টাকার উৎস সরকারি কোষাগার। আমাদের ট্যাক্সের টাকা। প্রকল্প দুটির পরিসরে আউটডোর চিকিৎসা নেই। প্রাথমিক চিকিৎসা নেই। অথচ আউটডোর চিকিৎসার জন্যেই সবচেয়ে বেশি পকেটের টাকা খরচ করতে হয় জনগণকে। তাছাড়া এছাড়াও, রাজ্যে পিপিপি মডেলে চলা সিটি স্ক্যান, এমআরআই, ল্যাবরেটোরি, ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে হাত বদল হয়ে যাচ্ছে সরকারি কোষাগার। 
আসলে এই মুহূর্তে দেশের স্বাস্থ্য বাজার ৬৩৮ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারকে ২০৩০ সালে এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্রের শাসক। দেশের কোষাগার বিমা কোম্পানির হাতে তুলে না দিলে স্বাস্থ্য ব্যবসার ক্রেতা তৈরি হবে কি করে? সরকারি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো যত দুর্বল হবে, রোগ বালাই তত বাড়বে—আর মুনাফার পাহাড়ে চড়বে স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীরা। 
ছোট্ট পরিসংখ্যান কার্ডের রহস্য বোঝার জন্যে যথেষ্ট। ২০১৬ সালে স্বাস্থ্যসাথী চালু হওয়ার পর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত  সরকারি হাসপাতালে ঢুকেছে  ৩১৭ কোটি, অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে ঢুকেছে ৩৭৮২ কোটি টাকা—অর্থাৎ প্রায় ১২ গুণ।
আসলে চলছে প্রসাধনী উন্নয়ন। উপেক্ষা করা হচ্ছে উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো নির্মাণ, রাজ্যের বিভিন্ন অংশে পরিষেবায় বিপুল বৈষম্য থাকছে— তাই হঠাৎই বন্ধ করে দেওয়া নয় কার্ডের চিকিৎসা। চালু বিমার উপভোক্তাদের পুনর্বিবেচনা করা হোক আর্থ-সামাজিক ক্ষমতা ও আঞ্চলিক বৈষম্যের মানদণ্ডে। সামর্থ্য অনুযায়ী প্রিমিয়াম, প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ হওয়ায়া দরকার।  আর্থিক ও সামাজিক ভাবে দুর্বল প্রান্তিক  অংশের জন্যে বিমার আওতায় আসুক আউটডোর চিকিৎসা, দামী প্রয়োজনীয় মেডিসিন, উচ্চমানের ব্যয়বহুল পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এলাকা ভিত্তিক প্রাপ্ত সুবিধা অনুযায়ী বিমা সীমাবদ্ধ থাকুক অত্যাধুনিক চিকিৎসা, সুপার স্পেশালিটি চিকিৎসা, দামি চিকিৎসা, সরকারি ব্যবস্থায় না থাকা চিকিৎসার জন্যে। 
একই সঙ্গে বাদ দেওয়া নয় বরং বিমার আওতায় থাকতে হবে জরুরি পরিষেবা। তীক্ষ্ণ নজরদারি দরকার দুর্নীতি যেন ঢুকে না পড়ে বিমা প্রকল্পে। দরকার নিয়মিত আর্থিক অডিট ও উপভোক্তার প্রতিক্রিয়ার মূল্যায়ন। অগ্রাধিকার নির্বাচন করে রাজ্যের সব অংশে  ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হোক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, পিপিপি নয়, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে, সময়সূচি মেনে, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তৈরি হোক আধুনিকতম পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা। ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা হোক বিমা নির্ভরতা। কার্ড নয়, বিমা নয়, সরকারি কোষাগারের টাকায় স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীদের উদরপূর্তি নয়। চাই রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও ব্যবস্থাপনায় সর্বজনীন স্বাস্থ্য।

Comments :0

Login to leave a comment