ISF

ভাঙড়ের বোদরা পঞ্চায়েতে অনাস্থায় তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী আইএসএফ

জেলা

মঙ্গলবার ভাঙড়ের বোদরায় আইএসএফ’র সভায় উপস্থিতির একাংশ। ছবি: অনিল কুণ্ডু

ভাঙড়ে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতে অনাস্থা ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। অনাস্থার ভিত্তিতে ভোটে পঞ্চায়েতের নিয়ন্ত্রণ পেল আইএসএফ। 
মঙ্গলবার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভাঙড়-১ ব্লকের এই বোদরা গ্রাম পঞ্চায়েত দখলকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। 
অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি’র ছত্রছায়ায় গিয়ে আইএসএফ কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি করে। আইএসএফ ও বিজেপির সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভাঙড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ঘটনাস্থলে আসে। 
এই পরিস্থিতিতে এদিন পঞ্চায়েতে প্রধান নির্বাচন করা হয়। পঞ্চায়েতের ২৯ জন সদস্যর মধ্যে ২১ জন সদস্য আইএসএফকে সমর্থন করে বলে জানা গিয়েছে। প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন শামিমা পারভীন। 
রাজ্যে পালাবদলের পর কার্যত শিকেয় উঠেছিল পঞ্চায়েতের দৈনন্দিন কাজকর্ম। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল জনমতের তোয়াক্কা না করে বিরোধী শূন্য পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করে। 
পঞ্চায়েত প্রধানের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনাস্থা আনা হয় এদিন। অনাস্থাকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় আইএসএফ কর্মী, সমর্থকদের। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত কতিপয় দুষ্কৃতী বিজেপি’র ছত্রছায়ায় গিয়ে বাধা দেওয়ার চক্রান্ত করে। এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি করে। বেশ কয়েকটি মোটর বাইক, টোটো গাড়ি ভাঙচুর হয়। 
পাল্টা প্রতিরোধ করেন আইএসএফ কর্মীরাও। উভয় পক্ষের কয়েকজন জখম হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। 
আইএসএফ কর্মীরা এদিন জানান, দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়। ২৯ জন সদস্যর মধ্যে ২১ জন সদস্য আইএসএফ-কে সমর্থন করেছে। 
এদিন আইএসএফ’র আহ্বানে বোদরার খড়গাছি চাঁদপুর শ্রীরামপুরে সভা হয়। সভায় উপচে পড়ে মানুষের ভিড়।  

 

Comments :0

Login to leave a comment