Minakhshi Mukherjee Rishra

অন্নপূর্ণা যোজনার মাপকাঠি কী জানাক সরকার, বললেন মীনাক্ষী

রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম তোলার মাপকাঠি কী, জানাতে হবে সরকারকে। না’হলে বিক্ষোভ চলবে। বিজেপি সরকার বারো পাতার ফর্ম ভরিয়েছে মহিলাদের দিয়ে। কিন্তু ভাতার টাকা পেতে হলে মাপকাঠি কী, জানায়নি।
রবিবার রিষড়ায় সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে এ কথা বলেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখার্জি। সিআইটিইউ হুগলি জেলা ১৪ তম সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশে এদিন বক্তব্য রাখেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের জবাবও দেন। 
রাজ্যজুড়ে মহিলারা বিক্ষোভে শামিল হচ্ছে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পেয়ে ক্ষোভ জানাচ্ছেন প্রশাসনের কাছে। 
ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলার ফর্ম-৬ বদল করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। 
মীনাক্ষী বলেন, বিজেপি মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছিল যে তৃণমূল হাজার টাকা দিয়ে সব কিছু লুটেপুটে খাচ্ছে। ওরা ক্ষমতায় এলে তিন হাজার টাকা করে দিতে পারবে। ভোটের পর সরকারে এসে বারো পাতার ফর্ম ফিলাপ করিয়েছে। কিন্তু অন্নপূর্ণা সঠিক মানদন্ড কি সেটা বলেনি। 
তিনি বলেন, অন্নপূর্ণায় আমরা চারটে মানদন্ড জানি। মহিলা হতে হবে, ২৫-৬০ বছর বয়স হতে হবে, তার নিজের নামে ইনকাম ট্যাক্স ফাইল থাকবে না এবং তিনি সরকার প্রদত্ত অন্য কোনো ভাতা বা বেতন পাবেন না। তিনিই অন্নপূর্ণা পাবার যোগ্য। এর বাইরে কোনো মাপকাঠি যদি থাকে সরকার প্রকাশ করুক। আমি যদি জানতে পারি কেন পেলাম না তাহলে কেন বিক্ষোভে যাব।
মীনাক্ষী বলেন, আসলে সরকার ঝামেলা লাগিয়ে রাখতে চাইছে। কেন ডিম ছোঁড়া, কেন গাড়ি ভাঙা, কেন চিৎকার চেঁচামেচি গুন্ডামি করে বেরাচ্ছে? কারণ পেটে যখন খিদের টান পড়ে তখন কানে যাতে অন্য কথা না আসে তার জন্য চিৎকার করা চলছে।
মীনাক্ষী বলেন, বিজেপি সরকারের পাঁচ মাসে মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে। হকার থেকে শুরু করে সাফাই কর্মী পর্যন্ত বুঝেছেন। তাই তাঁরা রাস্তায় নামছেন। রাস্তায় নেমে দেখছেন লাল ঝান্ডা আগে থেকেই লড়াই আন্দোলন করছে। সেখানেই মানুষ ভিড় করছেন।
আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বারে বারে কমবয়সীরা আত্মবলিদান দেয়, চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করে মানুষের জন্য অকুতোভয় হয়ে রাস্তায় নেমে লড়াই করে। ‘জেন জি'-রা এই প্রজন্মের, এই শতাব্দীর দায়িত্ব তারা পালন করছে। আমরা তাদের স্যালুট জানাচ্ছি।
মীনাক্ষী বলেছেন, কমবয়সীদের ভয় পায় বলেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা আটকাতে চেয়েছে বিজেপি পরিচালিত নির্বাচন কমিশন। বিজেপি কমিশনকে দিয়ে নানা রকম বিধি নিষেধ জারি করেছিল। সেগুলি আবার ফেরত নিতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিন সমাবেশে ছিলেন সিপিআই(এম) হুগলী জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য তীর্থঙ্কর রায়, মনোদীপ ঘোষ সহ জেলা নেতৃত্ব।

Comments :0

Login to leave a comment