Mostari Banu SC

কমিশনকে তোপ, ক্ষোভের মুখে মুখ্যমন্ত্রীও, সুপ্রিম কোর্টে মোস্তারি বানু

জাতীয় রাজ্য

প্রধান বিচারপতির এজলাসে আইনজীবীদের সঙ্গে মোস্তারি বানু।

মোস্তারি বানু বনাম নির্বাচন কমিশন মামলা। মোস্তারি বানুর আইনজীবী সব্যসাচী চ্যাটার্জি এদিন শুনানির পর সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেন সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেই।
তিনি বলেন, মানুষের কষ্ট চরম হচ্ছে। ভগবানগোলার সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দা মোস্তারি বানু। তিনিও হয়রানির স্বীকার। কমিশনে গণহারে অভিযোগ জমা পড়ছে। কিন্তু অভিযোগকারীর নামের পাশে ঠিকানা ৫/১ ওয়েস্ট বেঙ্গল। এমন কোনও ঠিকানাই হয় না। তা’হলে সেই ঠিকানায় কী ক’রে অভিযোগ জমা নিচ্ছে কমিশন?
সব্যসাচী বলেন হাওড়ায় কাজীপাড়া, মোল্লাপাড়া এলাকায় এক চিত্র। অভিযোগ গণহারে জমা পড়ছে। একেকটি বুথ থেকে পাঁচশো মানুষকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এটা কী করে হচ্ছে?
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের হেনস্তা করা হচ্ছে লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি-র নামে। এটা চরম যুক্তিহীন। 
সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দেন মোস্তারি বানুও। তিনি বলেন, ‘‘আমার বাবার সঙ্গে ২৭ বছর এবং মায়ের ২২ বছর বয়সের ফারাক রয়েছে আমার। অথচ আমার বয়স বাবার থেকে মাত্র ১৫ বছর কম কেন, সেই প্রশ্ন তুলে নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন।’’ তিনি বলেন, ‘‘এই মামলায় আমি প্রথম পিটিশনার।’’
গত ৪ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় প্রথম সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তা নিয়ে এক প্রশ্নে মোস্তারি বানু বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন কাজ ৯৯ শতাংশ শেষ হওয়ার পর। তিনি এসেছিলেন নাটক করতে। নিজের নাম উজ্জ্বল করতে। আমার আবেদন প্রকৃত ভোটদাতা যাঁরা আছেন তাঁদের কাও নাম যেন বাদ না যায়।’’
তিনি বলেন, ২০০২-র ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল। তা সত্ত্বেও ভুল অভিযোগ তুলে পাঠানো হয়েছিল নোটিস। এভাবেই চলছে নির্বাচন কমিশন।

Comments :0

Login to leave a comment