School Job Scam

এক বছরেও যোগ্যদের তালিকা দিল না কেন রাজ্য, ক্ষোভ সুজন চক্রবর্তীর

রাজ্য

যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা তালিকা করার জন্য এক বছর সময় পেয়েছিল রাজ্য। এক বছরেও সে কাজ করা হলো না। তার জন্য কাজ হারালেন যোগ্যরা। কত টাকা খেয়েছে তৃণমূল যে তালিকা আদালতে দেওয়া হলো না।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, কিছু অযোগ্য, যাদের টাকা দিয়ে চাকরিতে ঢুকিয়েছে রাজ্য সরকার এবং শাসকদল, তাদের রক্ষা করার জন্য যোগ্যদের খারিজ করা হলো। সরকার যোগ্যদের পাশে না দাঁড়িয়ে অযোগ্যদের পাশে দাঁড়ালো। 
গত বছরের এপ্রিলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তারও কারণ ছিল প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকা। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। তবে শীর্ষ আদালতে, এর আগে, শুনানির সময়েও, চূড়ান্ত অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া তীব্র ভর্ৎসিত হয়।
মাদুরাইয়ে সিপিআই(এম) ২৪ তম পার্টি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন চক্রবর্তী। এদিন সেখানেই তিনি বলেন, হাইকোর্ট যা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট কার্যত তাকেই মান্যতা দিল। এমন ধরণের অপরাধ হয়েছে, এমন দুর্নীতি হয়েছে যে নিয়োগ প্রক্রিয়াই কলুষিত হয়ে গিয়েছে। তাকে আর ঠিক করার উপায় নেই।  
এরপরই চক্রবর্তী বলেন, এক বছরের মধ্যে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করতে পারত তালিকা, কারা যোগ্য কারা যোগ্য নয় তা জানিয়ে। কিন্তু সেই তালিকা দেওয়া হয়নি। কত টাকা খেয়েছে যে এক বছরেও সরকার যোগ্য-অযোগ্য স্পষ্ট করতে পারল না? 
চক্রবর্তী বলেন, সরকারের অপদার্থতার জন্য যোগ্য চাকরিজীবীদের বাতিল করা হয়েছে। এই সরকারকে বাতিল করা দরকার। তিনি বলেন, এখন রাজ্য সরকার এবং কমিশনকে উপায় বের করতে হবে যাতে যোগ্যদের চাকরিতে বহাল রাখা যায়। তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়ে অভিযুক্তদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করতে বলা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেরকম কোনও নির্দেশ দেয়নি। যারা টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করা উচিত। কাদের টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে জেরা করে বের করা উচিত। এরা ঘুরে বেড়াবে আর যোগ্য চাকরিজীবীরা কাজ খোয়াবেন, তা হতে পারে না। 

Comments :0

Login to leave a comment