assembly 2026 NAYAGRAM

নকল দলিলে চাষের জমি হাতিয়ে নেওয়ার লড়াইতে ১৭৫টি পরিবারের পাশে সিপিআই(এম), নয়াগ্রামে প্রচারে প্রার্থী পেলেন নজরকাড়া সমর্থন

জেলা বাংলা বাঁচানোর ভোট

ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী ডাঃ পুলিন বিহারী বাস্কের প্রচার ও জনসংযোগ কর্মসূচীতে শ্রীদীপ ভট্টাচার্য। ছবি: চিন্ময় কর।

আমাদের চাষের জমি কী ফেরত পাবোনা, আমাদের বাঁচান, হাত ধরে আকুতি উচ্ছেদ হওয়া পাট্টাদার বর্গাদার মানুষ। ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী ডা: পুলিন বিহারী বাস্কের সমর্থনে প্রথম দিনের প্রচারেই মানুষের সমর্থন ও অংশগ্রহন নজর কাড়া। এই কেন্দ্রের খড়িকামাথানীতে জনসংযোগ ও প্রচারে সামিল হোন সিপিআই(এম) পলিটব্যুরো সদস্য শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, সিপিআই(এম) ঝাড়গ্রাম জেলা সম্পাদক প্রদীপ সরকার সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আবার নকল দলিলে ৪০০ বিঘা অধিক চাষের জমি হাতিয়ে নেওয়া ঘটনায় আইনি লড়াইতে ১৭৫টি পরিবারের পাশে কেবল সিপিআই(এম)কে পাশে পেয়েছে। তৃণমূল বিজেপি এবিষয়ে নীরব শুধু নয়, জমি মাফিয়া সহ কলকাতার ১০ সংস্থার নামে সেই জমি বেআইনি ভাবে দলিল হলেও  সেই জমি দখল রাখতে লাল ঝান্ডার লড়াই এখনও চলছে। প্রসাশন এবং দুই শাসক নির্বিকার। মানুষ এবার চাইছে এই লুঠের বিরুদ্ধে তাদের অধিকার পুনরুদ্ধারে লাল ঝান্ডার লড়াইকে শক্তিশালী করতে।

অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ পরিচিত মুখ এবং আদিবাসী অধিকার মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক পুলিন বিহারী বাস্কের প্রচার দেখে এগিয়ে আসেন বয়স্ক মানুষ। হাত ধরে দাবী করেন, "একশো দিনের কাজটা চালু করুন। নইলে আমরা অনাহারে মরবো। জঙ্গলে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করে আজ তাদের রুটি রুজির রসদ সংগ্রহ বন্ধ করে সেই জঙ্গল কি ভাবে লুঠ  হয়েছে তুলে ধরেন খাঁদু বাস্কে, দূর্গা হাঁসদা, জলধর মাহাত এমন দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ। তারা বলেন, সড়ক রাস্তা থেকে মনে হবে ঘন জঙ্গল। তিনশ- চারশ মিটার ভীতরে ঢুকলে কঙ্কালসার চেহেরা উঠে আসবে।"
জঙ্গল এখন মাফিয়াদের দখলে। বনজ সম্পদ, ভেষজ তুলসি বাসব সিঙ্কোনা, বাবুই ঘাস ও কেন্দুপাতা সবই লুঠ হয়ে চলে যাচ্ছে ফড়েদের মাধ্যমে। পাশাপাশি ওড়িসা ও ঝাড়খন্ড বর্ডার এলাকায় রাজ্যের ছোটনাগ মালভূমির খাত ও চড়াই ফাটিয়ে ধাতব পদার্থ লুঠ চলছে আন্তঃরাজ্য  মাফিয়া রাজে। রাজ্য সরকার ও তার প্রসাশন  এবং শাসকদল জড়িত না থাকলে এমন লুঠ হতে পারে না।

বিভাজনের রাজনীতি নয়, রাজনীতির বিভাজন তথা রুটি, রুজি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং এসটি সংরক্ষিত অধ্যুষিত জঙ্গলমহলে ৭২টি স্কুল কলেজের আবাসিক হোস্টেল বন্ধ, ৭০০ অধিক প্রাইমারী ও হাইস্কুল বন্ধ, সে স্থানে আরএসএস তাদের ছদ্মনামে শতাধিক স্কুল গড়ে ওঠছে।


 

Comments :0

Login to leave a comment