Social Media Ban

অপছন্দের পোস্ট হলে বাদ দিচ্ছেন মন্ত্রী, সরব কংগ্রেস

জাতীয়

সোশাল মিডিয়ায় কেন্দ্রের সরকারের সমালোচনা করলেই পড়ছে কোপ। প্রশ্ন তোলে নিয়মিত এমন ইউটিইউব চ্যানেলের আয়ের পথ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অন্য সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পোস্ট।
বৃহস্পতিবার এই অভিযোগে সরব হয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের অভিযোগ, এই কাজ করাচ্ছেন খোদ কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জাতীয় কংগ্রেসের প্রচার ও সোশাল মিডিয়া বিভাগের প্রধান সুপ্রিয়া শ্রীনাতে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগ তুলেছেন।  
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেই কেড়ে নিচ্ছে। 
শ্রীনাতে বলেন, একাধিক ইউটিউব চ্যানেলকে ‘ডিমনিটাইজড‘ করা হচ্ছে। বিভিন্ন ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এমনকি সরকারের ইচ্ছায় ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং কনটেন্ট ডিলিট করে দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুকের ক্ষেত্রেও ভারতে চালানো হচ্ছে একই বিধিনিষেধ। 
নরেন্দ্র মোদী সরকারে আসীন হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় বিরোধী স্বরে এই বিধিনিষেধের অভিযোগ উঠেছে বারেবারে। এমনকি ব্যঙ্গচিত্রের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেখা গিয়েছে। সরকারি নির্দেশে সোশাল মিডিয়া সংস্থা চালাচ্ছে এমন কারসাজি। 
শ্রীনাতে এদিন বলেন, সরকার প্রথমে কনটেন্ট ব্লক করছে। কনটেন্টটিকে মুছে দিচ্ছে সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। সব শেষে পুরোপুরি অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিচ্ছে তাঁরা। এই কাজটি করছেন খোদ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং তার মন্ত্রক। আমলারাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার  ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য হবে এবং কোন বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কে সমালোচনামূলক  যে কোনও কিছুই সরিয়ে ফেলতে হবে।
শ্রীনাতের অভিযোগ, ভারত সরকার তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯-এ ধারার অধীনে নির্দেশিকা জারি করে সামাজিকমাধ্যম থেকে ওই কন্টেন্টগুলিকে ডিলিট করতে বা সীমাবদ্ধ করে নিতে বাধ্য করছে। যা আসলে সংবিধান স্বীকৃত বাক এবং অভিব্যক্তির স্বাধীনতাকেই হরণ করছে।

Comments :0

Login to leave a comment