গ্যাস ভরার সেন্টারে দীর্ঘ লাইন পড়ছে অটোর। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেই দেখা যাচ্ছে এমন দৃশ্য। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি সঙ্কটে পরিবহণও।
আমেরিকা-ইজরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের ফলাফল দেখা যাচ্ছে গোটা বিশ্বেই। জ্বালানি, সারের মরো একাধিক পণ্য সরবরাহে গুরুতর সমস্যা শুরু হয়েছে। ভারতে দেশের সরকার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন প্রয়োগ করছে বিশেষত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টায়।
বুধবার বেলঘড়িয়ার নীলগঞ্জ রোডের গ্যাস সেন্টারে লম্বা লাইন পড়ছে অটোর। লাইনের এক প্রান্ত চলে যাচ্ছে বরানগর মেট্রো স্টেশনে। আরেক প্রান্ত চলে যাচ্ছে ভৈরব গাঙ্গুলি কলেজের গেট পার করে। এর মধ্যেই অটোয় গ্যাস ধরতে না পেরে প্রতিদিনই বহু অটো চালককে গাড়ি নিয়ে আবার ফিরে যেতে হচ্ছে।
নীলগঞ্জ রোডে সিএসটি ডিপোর কাছে গ্যাস সেন্টারে লাইন পড়ছে রাত থেকে। মঙ্গলবারও লাইন পড়েছিল সন্ধ্যা ছয়টা থেকে। সকাল ছ’টা থেকে খোলা হয় গ্যাস সেন্টার। কিন্তু লাইন পড়ছে তারও আগে থেকে।
এর মধ্যেই পাঁচ টাকা করে গ্যাসের দাম বেড়েছে। তবে ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন অটো চালকরা। তাঁরাই বলছেন এমন সঙ্কট যদি চলতে থাকে আর বেশিদিন গাড়ি চালানো সম্ভব হবে না।
অটো চালকদের গ্যাস সেন্টারের ম্যানেজার জানিয়েছেন যে যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁরা গ্যাস পাবেন পরিষেবা দিয়ে যাবেন। কিন্তু এখন যে পরিমানে গ্যাস ভরা হচ্ছে। ফলে সমস্যা হতে পারে।
Gas Crisis Auto
আমেরিকার যুদ্ধের জেরে গ্যাস সেন্টারে দীর্ঘ লাইন অটোরও
বেলঘড়িয়ার নীলগঞ্জ রোডের গ্যাস সেন্টারে লম্বা লাইন অটোর। ছবি: অভিজিৎ বসু
×
Comments :0