নির্বাচন কমিশন বলেছে হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। ভয়-ভীতি দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। প্রতিবারই নির্বাচন কমিশন এমন কথা বলে। তারপর নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ভোট করতে পেরেছে, কমিশনের ওপর এমন ভরসা করার কারণ দেখা যায়নি।
রবিবার ভোটের সূচি ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে একথা বলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকাই ঠিক করতে পারেনি। ফলে কমিশনের ওপর ভরসা রাখা কঠিন। কিন্তু বিধি অনুযায়ী
কমিশনকেই ভোট করাতে হবে। সে কারণে বারবার বলব যে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে প্রত্যেকের মত এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কাজ। যদি না হয় বাংলার মানুষ ছেড়ে দেবেন না।
এক প্রশ্নে চক্রবর্তী বলেন, ভোট কত দফায় হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়। কথা হলো সবাই কী ভোট দেবেন? ২০২৪ সালে যাঁরা ভোট দিলেন তাঁদের সবার নাম তালিকায় নেই।
চক্রবর্তী বলেন, নাম বাদ গেলে তবু নাম তোলার আবেদন জানানোর সুযোগ থাকে। কিন্তু বিবেচনাধীন করে রাখলে সে সুযোগও থাকে না। তিনি বলেন, ষাট লক্ষের বেশি মানুষ বিবেচনাধীন। কয়েক লক্ষ বৈধ ভোটারও যদিও ভোট না দিতে পারেন তা’হলে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার দায় নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
Comments :0