বিধানসভা নির্বাচনের প্রশিক্ষণ চলাকালিন আক্রান্ত শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে রানাঘাট ১ ব্লকের একটি স্কুলে। আক্রান্ত শিক্ষকের অভিযোগ, তাদের প্রশিক্ষণ চলাকালিন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে ভিডিও দেখানো হচ্ছিল। তিনি তার প্রতিবাদ করায় তার ওপর চড়াও হয় কয়েকজন। তার আরও অভিযোগ যে যারা তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল তাদের কাছে কমিশনের দেওয়া কোন পরিচয় পত্র ছিল না।
আক্রান্ত শিক্ষক সৈকত চ্যাটার্জির কথায়, ‘দিঘার মন্দির নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার চলছিল। আমি বলেছিলাম, এতে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। তখন তিন-চার জন এসে বলল, ‘বেশি বেশি করিস না। বাইরে গেলে মার্ডার হয়ে যাবি।’ তারপর আমাকে টেনে নিয়ে গিয়ে ঘরে মারধর করে।’
শিক্ষকের ওপর আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। প্রশিক্ষণে আসা একাধিক শিক্ষক ঘটনার প্রতিবাদ জানায়। কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি জানায় তারা।
ওই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যের অভিযোগ, ‘ওই শিক্ষক প্রথম থেকেই গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করছিলেন। এমনকি, আমার কাছেও আইকার্ড দেখতে চান। যারা প্রোজেক্টর বা সিসিটিভির কাজ করেন, তাঁদের তো সরকারি পরিচয়পত্র থাকে না। আমার কর্মীদের সঙ্গে উনি দুর্ব্যবহার করেছেন। ধাক্কাধাক্কি করেন। সম্ভবত, সেই সময় পড়ে গিয়ে ওর মাথা ফেটেছে।’
Assembly election 2026
প্রশিক্ষণে আক্রান্ত শিক্ষক
×
Comments :0