Mud Houses effected in jhargram

ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঙে পড়লো আবাস যোজনায় বঞ্চিত মানুষের মাটির ঘর

জেলা

সাঁকরাইলের রগড়া তে ভেঙে পড়ার ঘর।

আবাস যোজনায় বঞ্চিত পরিবারগুলির দুর্বল মাটির ঘর একের পর এক ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। দলবাজি আর কাটমানির বহরে প্রকৃত গরীব মানুষ কে বঞ্চিত যারা করেছিলো আজ তারাই ভালো তৃণমূল তকমায় গেরুয়া শিবিরে আশ্রয় পেয়েছে। আর এমন বিপর্যয়ে ঘর ভেঙে পড়া পরিবারগুলির পাশে না আছে প্রসাশন, না আছে শাসক ও জনপ্রতিনিধিরা।
দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় অতি গভীর নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রবল বৃষ্টির কারণে মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে একাধিক স্থানে। দাঁতন,  মোহনপুর, কেশিয়াড়ী, নারায়নগড়  সহ নয়াগ্রাম সাঁকরাইল, গোপীবল্লভপুর এমন বহু স্থানে মাটির  ঘর ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় বহু জন আহত হয়েছেন। ঝড় বৃষ্টির মধ্যে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন বহু পরিবার।
ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের খড়িকামাথানি ৬ নম্বর অঞ্চলের ডোকরা গ্রামে এমন ঘটনায় দেওয়াল ভেঙে আহত হন এক গৃহবধূ। আহত মহিলার নাম লক্ষ্মীপ্রিয়া নায়েক। তিনি আশঙ্কাজনক ভাবে নয়াগ্রাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এদিন সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ প্রবল বৃষ্টির জেরে ওই গ্রামের একটি মাটির বাড়ির দেওয়াল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। বৃষ্টির জেরে দেওয়াল নরম হয়ে যাওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। সেই সময় সেখানে থাকা লক্ষ্মীপ্রিয়া নায়েকের বুকে জোরে আঘাত লাগে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নয়াগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সাঁকরাইলের রগড়াতেও মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ায় তিন জন আহত হয় বলে জানা যায়।  টানা বৃষ্টির জেরে এমন দুর্ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মাটির বাড়িতে বসবাসকারী পরিবারগুলির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসনে খবর গেলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও ত্রাণ বা সাহায্য পৌঁছায়নি।
প্রশ্ন উঠেছে লক্ষ লক্ষ পরিবার আবাস যোজনায় বাড়ী পেয়ে থাকলে তারা কারা। এমন প্রান্তিক গরীব ক্ষেতমজুর পরিবার গুলি   দীর্ঘ বছর বঞ্চিত  থাকার কারন কি তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। 
 

Comments :0

Login to leave a comment