CPI(M) meets Baruipur victim's family

বারুইপুর কাণ্ডে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করল সিপিআই(এম)'র প্রতিনিধি দল, দাবি ন্যায়বিচারের

রাজ্য জেলা

নির্যাতিতার বাড়িতে সিপিআই(এম)-এর প্রতিনিধি দল।

বারুইপুর কাণ্ডের নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে সোমবার সিপিআই(এম)-র একটি প্রতিনিধি দল দেখা করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক রতন বাগচি সহ সিপিআই(এম) নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি, এদিন নির্যাতিতার মা - বাবার সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। 
সময়মতো পুলিশের সঠিক পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ তুলে সিপিআই(এম) নেতৃত্বের তরফে সরকারের কাছে ওই পুলিশের আধিকারিকদের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ও তোলা হয়। 
সুজন চক্রবর্তী বলেন, " এই জঘন্য ঘটনার নিন্দা করার মতো কোনও ভাষাই যথেষ্ট নয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বারুইপুরের ঘটনায় ন্যায়বিচার চায়।" পাশাপাশি, এই লড়াইয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস ও দেন তিনি। 


এই ঘটনার প্রতিবাদে এদিনই বারুইপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই, ডিওয়াইএফাই সহ সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। 
শনিবার বান্ধবীর জন্মদিনের উপহার কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় ১১ বছর বয়সী ওই মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার একদিন পর বারুইপুর থানার অন্তর্গত সূর্যপুর হাট এলাকায় একটি বস্তাবন্দী অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই  ঘটনায় রবিবার সকাল থেকে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ওই এলাকা।‌ দফায় দফায় তুমুল বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধে নামেন হাজার হাজার ক্ষুব্ধ মানুষ। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এসেছে। রিপোর্টে ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। মাথায় আঘাত করার পরে অচেতন হয়ে পড়লে নির্যাতিতাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং জলে ডুবে নির্যাতিতার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে। তার যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঁচড়-কামড়ের দাগও রয়েছে। ধর্ষণের পর মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায়  এখনও অবধি তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

Comments :0

Login to leave a comment