Taratala Disaster

তারাতলায় বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

রাজ্য কলকাতা

শুক্রবারও তারাতলার বিপর্যয়স্থলে চলেছে উদ্ধার অভিযান। এনডিআরএফ, সেনা ও অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা অত্যাধুনিক ‘লাইভ ডিটেকশন রাডার’ ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার চেষ্টা চালায়। তবে সময় যত গড়িয়েছে, জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই ক্ষীণ হয়েছে। শুক্রবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা জওয়ান, এনডিআরএফ, স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ এবং কলকাতা পুলিশ। দুর্ঘটনার প্রায় ৪৮ঘণ্টার ধরে উদ্ধার কাজ চলছে। উদ্ধারকাজ চলাকালীন বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবার দুপুরে কিছুক্ষণ উদ্ধার কাজ বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকালে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার মৃত ও আহতদের একটি তালিকা প্রকাশও করেছে। আহতরা এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, আহত ও নিহতদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে। শীঘ্রই সকলের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। 
দুর্ঘটনার পর প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানান যে, তারাজতলা এলাকার ব্রেস ব্রিজের কাছে ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে নির্মাণ কাজ চলছিল। বুধবার বিকেলে শ্রমিকরা যথারীতি নির্মাণ কাজে ব্যস্ত ছিলেন, এমন সময় গুদামটির ছাদের একটি বড় অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। ভারী ধ্বংসস্তূপ নিচে পড়তেই চিৎকারের শব্দ শোনা যায় এবং এর নিচে বেশ কয়েকজন চাপা পড়েন। দুর্ঘটনার সময় নির্মাণস্থলে বেশ কয়েকজন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এখনও অনেকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তাই, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।

Comments :0

Login to leave a comment