Shyamaprasad Mookherjee

বিজেপি’র শ্যামাপ্রসাদ-উদ্দীপনার নেপথ্যে

সম্পাদকীয় বিভাগ

সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার বিজেপি সরকার গঠনের পর মহা আড়ম্বরে পালিত হলো পশ্চিমবঙ্গ দিবস। রাজ্য সরকারের নির্দেশে ১৯ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে। পাশাপাশি ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পক্ষ’ পালনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে অসম্মান করা কখনই সমর্থনযোগ্য নয়, কিন্তু বিজেপি’র পক্ষ থেকে শ্যামাপ্রসাদ বিষয়ে যে কৃত্রিম উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলা হচ্ছে তার পাশাপাশি আমরা যদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের দিকে নজর দিই তাহলেই বোঝা যায় মতাদর্শ ও রাজনীতির দিক থেকে বিজেপি’র ফানুস। বিগত কয়েক দশক ধরেই বিভিন্ন অ্যা জেন্ডাকে ভিত্তি করে বিজেপি রাজনৈতিকভাবে মেরুকৃত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শোরগোল তুলে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সত্যগুলিকে আড়াল করে, বিকৃত করে, গুলিয়ে দিয়ে, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র বানিয়ে তোলা শ্যামাপ্রসাদ-উদ্দীপনাও এমনই একটি কৌশল। এই কৌশলের ধোঁয়ায় চাপা পড়া কিছু তথ্য তুলে ধরা হলো। 
১৯৩৯-এর ফেব্রুয়ারিতে খুলনায় বঙ্গীয় প্রাদেশিক হিন্দু মহাসভার সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সাভারকর। সেখানে ‘হিন্দুত্ববাদ’ নামক রাজনৈতিক তত্ত্বের বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন ও সাভারকরের মতবাদটি শ্যামাপ্রসাদকে আকৃষ্ট করে। মনে রাখা দরকার, ‘হিন্দুত্ববাদ’-এর সঙ্গে ‘হিন্দুধর্ম’-এর কোনও সম্পর্ক নেই। শ্যামাপ্রসাদ ১৯৩৯ সালেই হিন্দু মহাসভায় যোগ দিয়েছিলেন। হিন্দু মহাসভায় তার যোগ দেবার কারণ হিসাবে শ্যামাপ্রসাদ অন্নদাশঙ্কর রায়কে বলেছিলেন, ‘কংগ্রেসে আগে থেকেই যাঁরা রয়েছে তাঁরা কি আমাকে এত সহজে উচ্চে উঠতে দিত’। অর্থাৎ শ্যামপ্রসাদের হিন্দু মহাসভায় যোগদান কোনও উচ্চ আদর্শ থেকে নয়, ‘উচ্চে উঠবার’ আকাঙ্ক্ষা থেকে।
লক্ষ্য করার বিষয়, শ্যামাপ্রসাদ সেই সময় থেকেই আরএসএস’র সঙ্গেও সম্পর্ক রেখে চলতেন। হেডগেওয়র দত্তাত্রেয় দেওরস-কে সঙ্ঘের কাজ দেখাশোনার জন্য কলকাতায় পাঠিয়েছিলেন। দেওরস কলকাতায় এসে শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন। ১৯৪০-এ শ্যামাপ্রসাদ আরএসএস’র শাখার কাজ পরিদর্শন করেন। সেই থেকেই তার সঙ্গে আরএসএস’র সম্পর্ক তৈরি হয়। যা টানা ৯-১০ বছর বিদ্যমান ছিল। 
‘উই অর আওয়ার নেশনহুড ডিফাইন্ড’ বইতে ১৯৩৯ সালে আরএসএস’র ‘গুরুজী’ গোলওয়ালকর যা বলেছিলেন তারই প্রতিধ্বনি শুনতে পাই ১৯৪০ সালে মাদুরাইতে হিন্দু মহাসভার সভায় শ্যামাপ্রসাদের বক্তব্যে: হিন্দুস্থান হিন্দুদের এবং হিন্দু মহাসভার লক্ষ্য হলো ভারতে হিন্দুরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সংখ্যালঘুরাও সেই রাষ্ট্রে ঠাঁই পাবে, তবে প্রথমে তাদের নিজেদের ভারতমাতার সন্তান হিসাবে স্বীকার করে নিতে হবে। তারা তা না করে যদি এই দেশকে তাদের ধর্মশালা হিসাবে বিবেচনা করে ও এদেশে থাকে নিজেদের স্বার্থে, তাহলে তাদের আমরা ভারতের শত্রু হিসাবে বিবেচনা করবো। পাঞ্জাব, বাংলা ও সিন্ধু প্রদেশে (যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগুরু) যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয়, তাহলে মাদ্রাজ ও সেন্ট্রাল প্রভিন্স, যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু, সেখানে হিন্দুদের এক কণ্ঠে বলতে হবে, তাদের দিক থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার রাস্তায় হাঁটা ছাড়া অন্য উপায় থাকবে না (necessary for them to resort to retaliation)। 
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহরু দেশে মতামত ও পরিচয়ের বৈচিত্রকে প্রতিফলিত করার জন্য সরকারের কণ্ঠস্বরে বৈচিত্রের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সবসময়েই সচেতন ছিলেন ও কনসেসাস পলিটিক্সকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। তাই কংগ্রেসের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও নেহরু তাঁর মন্ত্রীসভায় যোগদানের জন্য ড. বি আর আম্বেদকর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে মন্ত্রীসভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
নেহরু-লিয়াকত চুক্তি ছিল দেশভাগের পরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি। যেখানে সব ধর্মের উদ্বাস্তুদের তাদের সম্পত্তি নিষ্পত্তি করার জন্য ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অপহৃত মহিলাদের ও লুণ্ঠিত সম্পত্তিগুলিকে ফেরত দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। জোরপূর্বক ধর্মান্তরকে অস্বীকার করা হয়েছিল। সব ধর্মের সংখ্যালঘুদের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল। এছাড়াও উভয় দেশেই সংখ্যালঘু কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-সহ হিন্দু মহাসভার নেতারা। দুই পঞ্জাবের মতো তাঁরা পূর্ব পাকিস্তান ও পূর্ব ভারতের মধ্যে ধর্মভিত্তিক জনবিনিময় করার দাবি করেছিলেন। আর পাশাপাশি তাঁদের অনেকের দাবি ছিল পূর্ব পাকিস্তান থেকে আরও জমি চাওয়া—  যাতে এ দেশে জায়গার অভাব না হয়। পাকিস্তান এই প্রস্তাবে আপত্তি করলে নেহরু সরকারের যুদ্ধ ঘোষণা করা উচিত, এই দাবি করেন হিন্দু মহাসভার নেতারা। যুদ্ধ বা জনবিনিময়ের পথে না হেঁটে যখন নেহরু সরকার এই চুক্তি সই করেন, তখন শ্যামাপ্রসাদ মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। বাস্তবে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির ফল কী দাঁড়ায়, তা না দেখেই তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেন।
হিন্দু কোড বিলকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সময়ে সংবিধান পরিষদে হিন্দু মহাসভা ও কংগ্রেসের দক্ষিণপন্থী অংশ সুপরিকল্পিতভাবে বাবাসাহেব আম্বেদকরের আনা এই বিল আটকে দিয়েছিল। হিন্দু ব্যক্তিগত আইন সংস্কারের বিষয়ে একমাত্র জওহরলাল নেহরুকেই ড. বি. আর. আম্বেদকর আন্তরিক বলে মনে করেছিলেন। যদিও পরে সংস্কার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার নিজের তুলনায় নেহরুর দৃঢ়তার অভাব নিয়ে তিনি সমালোচনা মুখরও হয়েছিলেন। আম্বেদকর ও নেহরুর মধ্যে একমাত্র পার্থক্য ছিল এই যে, আম্বেদকর সংস্কারের বিষয়ে ছিলেন অনড় ও অবিচল এবং অন্যদিকে নেহরু রাজনৈতিক বাস্তবতার খাতিরে বিলটিকে স্থগিত, খণ্ডিত ও দুর্বল করার পথ বেছে নিয়েছিলেন। কারণ হিন্দু মহাসভা তো বটেই, এমনকি রাজেন্দ্র প্রসাদ সহ কংগ্রেসের দক্ষিণপন্থী অংশের বহু সদস্যের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিলেন নেহরু ও আম্বেদকর। হিন্দু মহাসভার নেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ও এনসি চ্যাটার্জি ছিলেন হিন্দু কোড বিলের সব থেকে তীব্র বিরোধী। বিলটির বিরোধিতা করতে গিয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বলেছিলেন: ‘হিন্দু কোড বিলটি হিন্দু সংস্কৃতির সুমহান সৌধকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবে এবং এমন এক গতিশীল ও উদার জীবনধারাকে রুদ্ধ করে দেবে, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পরিবর্তনের সাথে নিজেকে চমৎকারভাবে মানিয়ে নিয়েছিল’।
এই বিলের বিরুদ্ধে মুসলিম লিগের নাজিরুদ্দিন, হিন্দু মহাসভার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ও এনসি চ্যাটার্জি এবং সমস্ত হিন্দু ডানপন্থী ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। তাঁরা প্রাথমিকভাবে মনুস্মৃতির পক্ষে এবং কেবল বেছে বেছে যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতির কথা বলেছিলেন। যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি অনুসারে, একজন বিচ্ছিন্ন বা বিধবা স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পাবেন। বিস্ময়করভাবে বিলটির ডানপন্থী বিরোধীদের যুক্তিতে কিন্তু এই বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি যখন হিন্দু কোডকে ঐচ্ছিক করার প্রস্তাব দেন, তখনই মহাসভার প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ হয়ে পড়ে। আম্বেদকর ক্ষুব্ধ হয়ে শ্যামাপ্রসাদের এই মন্তব্যকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার অযোগ্য বলে খারিজ করেন। কারণ নেহরুর মন্ত্রীসভার সদস্য হিসাবে শ্যামাপ্রসাদ নিজেই একসময় এই কোডটিকে সর্বান্তকরণে সমর্থন করেছিলেন, অথচ বিতর্কের সময়ে তিনি তার নিজের পূর্বের অবস্থানের বিরুদ্ধেই বক্তব্য রাখছিলেন। ‘হিন্দু কোড বিল’-এর প্রশ্নে নেহরুকে যখন দৃঢ় অবস্থানে আনা গেল না এবং কংগ্রেসের রক্ষণশীল অংশের ও হিন্দু মহাসভার অনমনীয় বা একগুঁয়ে মনোভাবের মুখে পড়তে হলো, তখন ড. আম্বেদকর বাধ্য হয়েই মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
হিন্দু কোড বিল প্রসঙ্গে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ মনে রাখা দরকার। বিলে বাবাসাহেব স্থাবর ও অস্থাবর সব ধরনের সম্পত্তির ওপর নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিলেন। বিয়ের আগে ও পরে এবং বিধবা হবার পরেও, নারীরা যেন তাদের বাবা, মা ও স্বামীর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারেন। সভার সভাপতি ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ও স্পিকার অনন্তশয়ম আয়েঙ্গার এই বিলের প্রবল বিরোধী ছিলেন। বাবাসাহেব মনে করতেন: বিভিন্ন বেদ, শাস্ত্র ও পুরাণগুলি ভারতীয় সমাজে পুরুষ আধিপত্যের জন্য দায়ী। তিনি হিন্দু সমাজের পুনর্গঠনের স্বার্থে এমন এক তাত্ত্বিক কাঠামো নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন যার ভিত্তি হবে স্বাধীনতা, সাম্য ও সৌভ্রাতৃত্ব। আইনের পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি মহিলাদের বিরুদ্ধে অবিচার ও অন্যায়গুলি প্রতিহত করতে চেয়েছিলেন। নারীদের ‘নিউ নেশন অব লাইফ’-এর স্বার্থে তিনি হিন্দু সমাজ থেকে কাস্ট ও সাব-কাস্টগুলির অপসারণ চেয়েছিলেন। তিনি অসবর্ণ বিবাহ ও বিভিন্ন জাতের একসঙ্গে বসে খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতেন। আম্বেদকরকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে বলা হতো: স্বৈরতন্ত্রী, আধুনিক মনু, আম্বা বেদের রচয়িতা। নানাভাবে তাকে তার ‘জাত’ স্মরণ করিয়ে দেওয়া হতো। শ্যামাপ্রসাদ মন্তব্য করেছিলেন: ‘ধর্ম সংকটে’। তার প্রতিক্রিয়া হিসাবে মহারাষ্ট্রের শ্রীমতী জয়শ্রী মন্তব্য করেছিলেন: ‘নিজের স্ত্রীকে প্রহার করা কোনও ধর্ম বলে বিবেচনা করা হবে কি না?’ মহিলা সাংসদদের মধ্যে রেনুকা রায়, দক্ষানয়ী ভোলায়ুদ্বান, পদ্মজা নাইডু, সুচেতা কৃপালনী, হংস মেহেতা, আম্মু স্বামীনাথন, বেগম আজিজা রসুল প্রমুখ বিলটিকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছিলেন। অন্যদিকে গোলওয়ালকর বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহের পক্ষে অদ্ভুত সব যুক্তি হাজির করতেন। কমিউনিস্ট নেত্রী রেণু চক্রবর্তী তার ‘কমিউনিস্টস্‌ ইন ইন্ডিয়ান উওম্যান্স মুভমেন্ট’ বইতে দেখিয়েছেন : আম্বেদকর উক্ত বিলটি আনার আগে রাউ কমিটি যখন বিভিন্ন রাজ্যে সফর করছেন ও হিন্দু আইন সংস্কার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মতামত শুনছেন, তখন কমিউনিস্ট মহিলা কর্মীরা মহিলা আত্মরক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে গ্রামে ও শহরে ছড়িয়ে পড়েছিলেন ও হিন্দু কোড বিলের পক্ষে শক্তিশালী প্রচার শুরু করেছিলেন। পক্ষান্তরে আরএসএস’র মুখপত্র ‘অরগানাইজার’-এ লেখা হয়েছিল: ‘আমরা এই কোড বিলের কঠোর নিন্দা করছি, কারণ এটি হলো হিন্দু আইন, হিন্দু সংস্কৃতি ও হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে নিষ্ঠুর ও অজ্ঞতাজনিত কুৎসা’। ‘আমরা বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকারের বিরোধিতা করছি, কারণ এটি হবে হিন্দু মতাদর্শের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সমান’। সংসদেও শ্যামাপ্রসাদের কণ্ঠে ‘অরগানাইজার’-এর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা গিয়েছিল: ‘মহিলাদের বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার দেওয়া কখনই মেনে নেওয়া যায় না ... বিবাহের ঐশ্বরিক প্রকৃতি একটি মতাদর্শ যা লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে শিকড় গেড়ে আছে। ... এটি হলো হিন্দু বিবাহের মৌলিক ও পবিত্র ধর্ম’।    

Comments :0

Login to leave a comment