MONDA MITHAI | HONEY BADGER | TAPAN KUMAR BAIRAGYA | NATUNPATA | 4th YEAR | 28 JUNE 2026

মণ্ডা মিঠাই | পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভীক ও বুদ্ধিমান প্রাণী | তপন কুমার বৈরাগ্য | নতুনপাতা | ৪র্থ বর্ষ | ২৮ জুন ২০২৬

নতুনপাতা/মুক্তধারা

MONDA MITHAI  HONEY BADGER  TAPAN KUMAR BAIRAGYA  NATUNPATA  4th YEAR  28 JUNE 2026

মণ্ডা মিঠাই | পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভীক ও বুদ্ধিমান প্রাণী

                     তপন কুমার বৈরাগ্য 

নতুনপাতা | ৪র্থ বর্ষ | ২৮ জুন ২০২৬
 

পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভীক প্রাণীর নাম হানি ব্যাজার। দেখতে আমাদের দেশের অনেকটা বেজির মতন।সব প্রাণীর মনের মধ্যে কিছু না কিছু ভয় লুকিয়ে থাকে। এরা বাঘ সিংহ হাতী কাউকেই পড়োয়া করে না।এদের রোগ ব্যাধি বা বয়সের চাপে জর্জরিত না হওয়া পর্যন্ত এদের মৃত্যু নেই।এদের আফ্রিকার ঘন বনে দেখা যায়।
এদের অসাধারণ শারীরিক গঠন,অভিযোজন ক্ষমতা, অদ্ভূত স্বভাবের তুলনা নেই।একটা বাঘ অন্য শক্তিধর প্রাণীকে দেখলে ভয় পায়। এরা পৃথিবীতে যতোই শক্তিশালী প্রাণী হোক না কেন ,এরা ভয়ে কোনো সময় পিছু পা হয় না। পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপ এদের কামড়ালেও এদের মৃত্যু নেই।কোনো সময় যদি এদের কোনো বিষধর সাপ
কামড়ায় এরা সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে ঘুমিয়ে পড়ে।অনেকে ভাবে এরা মারা গিয়েছে।আসলে এরা মারা যায় নি ।ঘুমের মাধ্যমে এরা বিষধর সাপের বিষকে হজম করে নেয়।আজ পর্যন্ত এদের সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় নি।আমরা বলি গন্ডারের চামড়া সবচেয়ে পুরু;কিন্তু হানি ব্যাজারের চামড়া শক্ত এবং সবচেয়ে পুরু।তাই হিংস্র প্রাণীর সাথে লড়াইয়ে এদের শরীরে কোনো ক্ষত সৃষ্টি হয় না।তাই এরা যেমন আক্রমনাত্মক,বুদ্ধিমান তেমনি নির্ভীক।এদের বুদ্ধির অনেক পরিচয় পাওয়া গেছে। কোনো  সিংহ এদের সামনে হঠাৎ আবির্ভূত হয়েছে।এরা সম্মুখ সমরে সিংহের সামনে রুখে দাঁড়ায় না।লাফ দিয়ে সিংহের পিঠে চেপে পড়ে তাদের ধারালো দাঁত দিয়ে তাকে কাবু করে দেয়। এরা স্তন্যপায়ী প্রাণী। কয়েক বছর পর পর এদের একটা বা দুটো বাচ্চা হয়।একমাস ধরে বাচ্চাদের সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে তাদের বড় করে তোলে।মাতৃস্তন্য খেয়েই এদের সন্তানেরা বড় হয়।এরা ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ইঞ্চি লম্বা হয়।উচ্চতা দুই থেকে তিন ফুট হয়।ওজন প্রায় কুড়ি কেজি মতন হয়। স্ত্রী হানি ব্যাজার পুরুষের চেয়ে আকারে বড় হয় এবং বেশী ভারী
হয়।এরা যেমন লাফাতে পারে,তেমনি ছুটতে পারে ,সাঁতার কাটতে পারে এবং গাছে উঠতেও পটু।সারা দেহ জুড়ে আছে প্রচুর পশম । পশমের রঙ ফ্যাকাশে।উপরে কিছুটা সাদা, নীচে কিছুটা কালো। এরা বহু বছর বাঁচে।এদের কথা যতো জানা যায় ততোই অবাক হতে হয়।বন্ধু ভেবে কোনো প্রাণীর কাছে এসে তাদের ঘায়েল
করে তাদের মাংস এরা খায়।এরা একা একা থাকতে বেশি ভালোবাসে। এরা হাসে ।বিচিত্র সুরে কথা বলে ।আবার সুন্দর নৃত্যু করতেও এদের তুল্য কেউ নেই। 


 

Comments :0

Login to leave a comment