G-7 Trump

জি-৭ বৈঠক: ইরান সমঝোতা বোঝাতেই ব্যস্ত থাকলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক

জি-৭ গোষ্ঠীর শীর্ষ বৈঠকে ইরানের সঙ্গে চুক্তি ব্যাখ্যা করতেই বেশি সময় দিয়েছেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
এক প্রশ্নে ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘সমঝোতা চূড়ান্ত হবে সময়েই। ইরানও চেয়েছে সমঝোতা হোক। সম্পর্ক এখন স্বাভাবিক। ফলে সমঝোতা পাকা করতে দেরি হবে না।’’
ইজরায়েল সংক্রান্ত এক প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর। তবে লেবানন প্রশ্নে ইজরায়েলকে আরও সংযত হতে হবে।’’
ইরানের শর্ত হলো মধ্য প্রাচ্য , বিশেষ করে লেবাননে, ইজরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ না করলে সমঝোতার কোনও মানে থাকবে না। ইজরায়েল যদিও লেবাননে বোমা ফেলে চলেছে সমানে। 
ফ্রান্সে জি-৭ বৈঠকে আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলি ইউক্রেনকে সহায়তা মদত জোগানোর বিষয়টি নিয়েও চর্চা করেছে। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ভোলোদমির জেলেনস্কি অংশ নেন বৈঠকে। 
ট্রাম্প ইউক্রেন প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘রাশিয়ার উচিত সমঝোতায় যাওয়া। ৮টি যুদ্ধ মিটিয়েছি। ইউক্রেন সমঝোতাও দ্রুত হওয়া উচিত।’’
পর্যবেক্ষকদের একাংশ বলছেন, ইউক্রেনকে সরাসরি মদত দিয়ে বা রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েও পশ্চিম ইউরোপ এবং আমেরিকার সুবিধা হয়নি। রাশিয়াকে পঙ্গু করতে পারেনি আমেরিকা। বরং, আমেরিকার চিন্তা বেশি এই কারণে যে রাশিয়া বিভিন্ন দেশের সঙ্গে লেনদেন চালাচ্ছে ডলারকে বাদ রেখে। ফলে ডলারের আধিপত্য বজায় রাখা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ট্রাম্প।  
ইরানের ক্ষেত্রেও বেকায়দায় পুরো পশ্চিমী দুনিয়া। আমেরিকা-ইজরায়েল একতরফা আক্রমণ চালালেও ইরানকে পর্যুদস্ত করতে পারেনি। বরং ইরানের পালটা আক্রমণ সামলাতে হিমসিম খেয়েছেন আমেরিকা এবং ইজরায়েল।
এখন ধাক্কা খেয়ে জি-৭ গোষ্ঠী বলেছে, সমঝোতায় ট্রাম্পের উদ্যোগ ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন থেকে দূরে করতে পারবে। হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারবে।
তবে সাময়িক সমঝোতার লিখিত বয়ান প্রকাশ করেনি আমেরিকা।

Comments :0

Login to leave a comment