অক্টোবরের প্রথমে বা শেষে বিজেপির সাথে সরাসরি মিশে যাবেন ১৭ জন এনসিপিআই সাংসদ। সোমবার কোচবিহারের এনসিপিআই সাংসদ জগদীশ বাসুনিয়া দাবি করেছেন ২০ জন এনসিপিআই সাংসদের মধ্যে ১৭ জন সাংসদ সরাসরি বিজেপিতে যোগদান করবে। বাসুনিয়া দাবি করেছেন যেই ১৭ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগদান করবেন তাদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন কোন ভাবে কার্যকর হবে না।
উল্লেখ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর ভেঙে যায় তৃণমূলে সংসদীয় দল। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এনসিপিআইতে যোগদান করেন। এই সাংসদদের সাংসদ পদ থাকবে কী না তা নিয়ে চলছে জল্পনা। এই পরিস্থিতিতে কোচবিহারের এনসিপিআই সাংসদের এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি করেছে। এনসিপিআইতে যোগ দিয়ে এনডিএ শরিক হিসাবে এনডিএ বৈঠকে বসতে দেখা গিয়েছিল কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়কে। এবার সেই শতাব্দী, কাকলিরা বিজেপিতে যাচ্ছে বলে তৈরি হলো জল্পনা।
তবে মূর্শিদাবাদের তিন সাংসদ আবু তাহের, ইউসুফ পাঠান এবং খলিলুর রহমান বিজেপিতে যাবেন না বলেই খবর। এই তিন সাংসদ বাইরে থেকে এনডিএকে সমর্থন করবে বলেই দাবি করেছেন বাসুনিয়া।
বাসুনিয়া দাবি করেছেন তারা নির্বাচনের পর সরাসরি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিন সংখ্যালঘু সাংসদ তাতে রাজি না হওয়ায় তারা এনসিপিআই-এর সাথে যুক্ত হয়।
২০ জন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদের সাংসদপদ খারিজের আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি হোক এই আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক ব্যানার্জি। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দাখিল করা এই সংক্রান্ত আবেদনের নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিলেন তিনি।
গত ২৫ অগস্ট অভিষেকের করা সেই মামলার প্রেক্ষিতে এনসিপিআই-এর ২০ জন সাংসদকেই নোটিস দেয় শীর্ষ আদালত।
২৬ অগস্ট পাঠানো সেই নোটিসে ২০ জনকেই সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা গত ১ সেপ্টেম্বর শেষ হতো। কিন্তু ওই সময়ের মধ্যে জবাব ওয়ার বদলে ২০ জনই লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ের কাছে তিন সপ্তাহ বাড়তি সময় চান। ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছিল। সেই আর্জিকে মান্যতা দিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ।
NCPI
অক্টোবরে বিজেপিতে যোগ দেবেন ১৭ এনসিপিআই সাংসদ দাবি জগদীশ বাসুনিয়ার
×
Comments :0