cpim

লাহেক আলির জামিনের আবেদনের রায় দান স্থগিত

রাজ্য

বারুইপুর কান্ডে ধৃত সিপিআই(এম) নেতা লাহেক আলির জামিন মামলার রায় দান স্থগিত রাখলো আদালত। রবিবার রাতে লাহেককে তার বাড়ি থেকে আটক করে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিন সকালে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয় লাহেক আলিকে। আদালতে তোলার সময় লাহেক আলি বলেন, ‘মিথ্যা অভিযোগে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুরের সূর্যপুর অঞ্চল। পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্কৃয়তার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর সেই বিক্ষোভে সামিল হন লাহেক। বারুইপুরের এই ঘটনাকে প্রথম থেকেই সাম্প্রদায়িক রং দেওয়ার চেষ্টা করে বিজেপি। লাহেক আলি, সুজন চক্রবর্তী সহ একাধিক সিপিআই(এম) নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় মামলা। 
গতকাল রাতে অশান্তি ছড়ানোর দায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে লাহেক আলিকে। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই বামপন্থীদের নিশানা করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ বিজেপি নেতৃত্ব। একাধিক সংবাদমাধ্যমও ভুয়ো খবর প্রচার করে মানুষের মধ্যে তৈরি করছে বিভ্রান্তি। 
গত মঙ্গলবার বারুইপুরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে এবং এই ঘটনা ঘটনোর জন্য উষ্কানি দিয়েছে তারা ছাড়া হবে না। ২০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে যারা পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুড় করেছে, রেল লাইন উপড়ে দিয়েছে তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। কেউ কেউ ০ থেকে ১ হয়েছে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উষ্কানি দিচ্ছে।’
উল্লেখ্য রবিবার যখন এই ঘটনা সামনে আসে গ্রামে মানুষ যখন এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তখন গ্রামবাসীদের এই আন্দোলনে পাশে ছিল স্থানীয় সিপিআই(এম) নেতৃত্ব। পরিবারের সাথে দেখা করেছে সুজন চক্রবর্তী, শমীক লাহিড়ী, রতন বাগচীরা। গত সোমবার দোষীদের শাস্তির দাবিতে বারুইপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে এসএফআই, ডিএয়াইএফআই এবং মহিলা সমিতি। আর এদিন বারুইপুরে পরিবারের সাথে কথা বলতে গিয়ে বামপন্থীদের নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Comments :0

Login to leave a comment