Raiganj University SFI ABVP

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবিভিপির আক্রমণ, পাল্টা প্রতিরোধ এসএফআই-র

জেলা

ফের এসএফআই কর্মীদের উপর আক্রমণ এবিভিপি‘র। ঘটনাটাই ঘটেছে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে। গুরুতর জখম এসএফআই নেতা বিবেক বর্মন ও জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। এসএফআই‘র পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শহীদ ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে পোস্টার দেওয়া হয়। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে এবিভিপি সমর্থকেরা সেই পোস্টার ছিঁড়ে দেয়। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইয়ের উদ্যোগে একটি পাঠ্যচক্রের আয়োজন করা হয়। 
মঙ্গলবার সকালে স্নাতকোত্তর বাংলা বিভাগের ছাত্র তথা এসএফআই কর্মী জাহাঙ্গীর আলম বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে এবিভিপি সমর্থকেরা তাঁকে বিভাগ থেকে তুলে নিয়ে ইংরেজি বিভাগে নিয়ে যায় এবং সেখানে মারধর করে। খবর পেয়ে এসএফআই নেতৃবৃন্দ তাঁকে উদ্ধারের জন্য সেখানে পৌঁছান। পাল্টা প্রতিরোধ করে এসএফআই। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-সহ আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তৎক্ষণাৎ কোনও সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ। 
এসএফআইয়ের অভিযোগ করেছে, বাটাম ও লাঠি নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। স্নাতক স্তরের ছাত্র রাজীব হোসেনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। আরও কয়েকজন ছাত্র ও এসএফআই কর্মী আহত হন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেও ফের হামলার অভিযোগ ওঠে।
এসএফআই নেতৃবৃন্দ বলেন যে পুলিশের উপস্থিতিতেই এবিভিপি সমর্থকেরা তাঁদের উপর হামলা চালায়। পুলিশ হামলাকারীদের আটকায়নি। ঘটনায় গণআন্দোলনের নেতা উত্তম পাল গুরুতর আহত হন।  গণ আন্দোলনের আরেক নেতা তীর্থ দাস-সহ বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ছাত্রদের ওপর হামলার খবর পেয়ে তাঁরা ছুটে এসেছিলেন।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আহত এসএফআই জেলা সম্পাদক কুষাণ ভৌমিক। তাঁর অভিযোগ, একজন ছাত্রকে আটকে রাখার পর বারবার উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকদের ফোন এবং ই-মেল করা হলেও তাঁকে উদ্ধার করা যায়নি। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ছাত্রদের নিরাপত্তা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে এসএফআই।
 

Comments :0

Login to leave a comment