Murder in Birbhum

তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ বীরভূমে

জেলা

এক তৃণমূল কর্মীকে ধারালো অস্ত্রের কোপে খুনে ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে বোলপুর থানার বাহিরী পাঁচশোয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাহিরী পূর্বপাড়া এলাকায়। মৃতের নাম সুকুমার লোহার ওরফে হাবল(৪৮)। রাজনৈতিক শত্রুতার জেরেই দুষ্কৃতীরা তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। মঙ্গলবার গভীর রাতে সুদীপ লোহার নামে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে চড়াও হয় দু্ষ্কৃতীরা। সুদীপ লোহার দু্ষ্কৃতীদের আক্রমণে জখম অবস্থাতে কোনোক্রমে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণ বাঁচায়। এরপর দুষ্কৃতীরা নিশানা করে মৃত সুকুমার লোহারকে। তাঁকে ধারালো অস্ত্র ও লাঠির আঘাতে নির্বিচারে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জখম হওয়া সুদীপ লোহার দাবি করেছেন, হামলাকারীরা তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করে এবং তৃণমূল করার অভিযোগ তুলে হামলা চালায়। নিজের প্রাণ বাঁচাতে রাতভর একটি গাছে উঠে কোনও রকমে প্রাণে বেঁচেছি। স্থানীয়দের দাবি, ‘‘এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন সুকুমার ওরফে হাবল। তবে বিধানসভা নির্বাচনে আগে থেকে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় রাজনীতি করতে দেখা যায়নি।’’ তবে হামলাকারীদের হাতে লাঠি, রডের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্রও ছিল বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতের মেয়ে অপু লোহার বলেন, ‘‘কোন ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবার সারা শরীরে আঘাত করেছে। তৃণমূল পার্টি করত বলেই এমনটা করেছে। গ্রামের লোক যারা এখন নতুন বিজেপিতে ঢুকেছে তারাই শত্রুতা করে এমনটা করেছে। আমি চাই দোষীদের শাস্তি হোক।’’ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দায়ের হয় নি। তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তৃণমূল কর্মী খুন হলেও জেলা তৃণমূল নেতাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি!

Comments :0

Login to leave a comment