জলপাইগুড়ি শহরের নয়াবস্তি এলাকায় একটি পরিচিত বেকারির ভিতর থেকে ম্যানেজারের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার সকালে বেকারির মধ্যেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় প্রায় ৫৫ বছর বয়সি হাফিজুল রহমানকে। তাঁর বাড়ি হুগলি জেলার আরামবাগ এলাকায় বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। কীভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মর্জিনা খাতুনের অভিযোগ, বেকারির ম্যানেজারকে খুন করে ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা নিয়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তাঁর অনুমান, ঘটনার সঙ্গে পরিচিত কেউ যুক্ত থাকতে পারে। বেকারির মালিক মানোয়ারা মণ্ডল বলেন, ‘‘আমাদের বেকারির ম্যানেজারকে খুন করা হয়েছে। আমরা চাই ঘটনার উপযুক্ত তদন্ত করে পুলিশ খুনিকে খুঁজে বের করুক।’’
তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বিভিন্ন লাইনম্যানের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থ ম্যানেজারের কাছে জমা থাকত। সেই বিষয়টি আততায়ীর জানা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেকারির কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে খুনের কারণ এবং ঘটনায় কারা জড়িত, তা স্পষ্ট নয়। টাকা লুঠের অভিযোগের পাশাপাশি পরিচিত কারও যোগ রয়েছে কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শহরের জনবহুল এলাকায় বেকারির ভিতরে এমন খুনের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি শহরে।
Jalpaiguri
জলপাইগুড়িতে বেকারি ম্যানেজারের দেহ
×
Comments :0