হাসপাতাল বিক্রির প্রতিবাদে ১১ দিন ধরেই চলছে ধর্ণা। রবিবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে অংশ নিলেন কলকাতা বন্দরের বহু মহিলা শ্রমিক-কর্মচারী।
শ্রমিক-কর্মচারীদের বক্তব্য উপেক্ষা করে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ পিপিপি মডেলে বেসরকারি হাতে তুলে দিচ্ছে তারাতলার হাসপাতাল। কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কাছে অনিশ্চিত চিকিৎসা পরিষেবা। বিপন্ন হাসপাতালে কর্মরত সব অংশের কর্মীরাই।
ক্যালকাটা পোর্ট এণ্ড শোর মজদুর ইউনিয়নের উপ সাধারণ সম্পাদক কাবেরী দাসসিংহরায় শ্রমিক কর্মচারীদের সামনে আন্তর্জাতিক মহিলা শ্রমদিবস প্রাসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ধর্ণামঞ্চে উপস্থিত মহিলা নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
এদিন ধর্ণা মঞ্চে ছিলেন কলকাতা জেলা সিআইটিইউ’র সাধারণ সম্পাদক দেবাশিস রায়। বক্তব্যও রাখেন তিনি। ক্যালকাটা পোর্ট এণ্ড শোর মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র মণ্ডল বলেন, বন্দরের শতবার্ষিকী হাসপাতাল রক্ষা করার আন্দোলনে মহিলাদের যোগদান বাড়াতে হবে। প্রায় তিনশোর অধিক শ্রমিক-কর্মঢারীর কাজ হারাবেন হাসপাতাল বেসরকারিকরণ হলে। ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই তা রক্ষা করতে হবে। হাসপাতাল বেসরকারিকরণের ফলে বন্দরের হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার অর্জিত অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী ও পেনশনাররা। শ্রমিক-কর্মচারী ও পেনশনারদের লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আবেদন জানান তিনি।
Calcutta Port Hospital
হাসপাতাল বিক্রির প্রতিবাদে টানা এগারো দিন ধর্ণায় বন্দর শ্রমিকরা
তারাতলায় কলকাতা বন্দর শতবার্ষিকী হাসপাতালের সামনে ধর্ণা শ্রমিক কর্মচারীদের।
×
Comments :0