dengue west midnapore

পশ্চিম মেদিনীপুরে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, পিংলায় একই পরিবারের চারজন আক্রান্ত

জেলা

ঘরে ঘরে জ্বর। ডেঙ্গুর উপস্বর্গে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। পিংলায় একই পরিবারের চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত! একজন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, আতঙ্কে বলিশ্বরপুরের বাসিন্দারা! পূজোর আগে জেলায় ৮৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়। এছাড়া অনেকেই বাড়িতে থেকে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান।

পূজোর রেশ কাটতে না কাটতে পিংলায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ঘিরে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। একই পরিবারের চার সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বেড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলা থানার অন্তর্গত খিরাই ৬ নম্বর অঞ্চলের বলিশ্বরপুর এলাকায়। আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে। 
অন্যদিকে, একজন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা পিংলা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধু একটি পরিবারই নয়, গোটা এলাকায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তাঁদের দাবি, বলিশ্বরপুর এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও হাসপাতাল সূত্রে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক কম বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের দাবি, এলাকায় প্রায় তিনজন ডেঙ্গু আক্রান্ত এবং তাঁরা বর্তমানে সুস্থতার পথে। এলাকার বাসিন্দা পঙ্কজ কুমার সেনাপতি জানান, একই পরিবারের তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন। গোটা এলাকায় ১০ থেকে ১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ায় বাসিন্দারা যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
ইতিমধ্যেই পিংলা হাসপাতালের বিএমওএইচ এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন জায়গায় ভিআরপি কর্মীদের মাধ্যমে মশা নিয়ন্ত্রণে স্প্রে করার কাজও চলছে। তবে বাসিন্দাদের দাবি, আগে এই স্প্রে করলেই এত বাড়ত না। আক্রান্ত হওয়ার পরই সরকার- প্রসাশনের টনক নড়ে। পূজোর আগে জেলায় বিভিন্ন ব্লকে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা যায়। নারায়নগড়, সবং, খড়্গপুর গ্রামীন সহ নানান ব্লকে গড়ে ৬-৯ জন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সরকারী তথ্য উঠে আসে। তার বাইরেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে বেসরকারী হাসপাতালে ও বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করান। তখনই এলাকায় সরকারি উদ্যোগে সচেতনতা শিবিরেরও আয়োজন করা উচিত ছিলো
 

 

Comments :0

Login to leave a comment