তেলের টিনে ভর্তি আরশোলা, গা ঘিনঘিন ছবি ধরা পড়ল হুগলীর দেবানন্দপুরে।
কালীপুজোর আগে ফের হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের। শনিবার সকালে ব্যান্ডেলের একাধিক তেল মিলে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। দেবানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তেল মিলে প্রবেশ করে খতিয়ে দেখেন কেমন তেল বিক্রি করা হচ্ছে। ব্যান্ডেলের একটি মিলে খোলা তেল প্যাকেট করে বিক্রি করা হচ্ছিল। যেটা বেআইনি। এরপরই ওই মিলে সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর আধিকারিকরা।
পুজোর মরশুম চলছে। একাধিক বার অভিযোগ উঠেছে ভেজাল তেল বিক্রি নিয়ে। পুজোর মরশুমে বাড়িতে রান্না থেকে কোনও রেস্টুরেন্টে তেলের ব্যবহার বেশি হয়।
মগড়া ব্লকের খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক তনুশ্রী মিশ্র বলেন, প্রকাশ তেল কলে আগে তেল তৈরি হতো। এখন তা হয় না। কিন্তু খোলা তেল রয়েছে। ফুড লাইসেন্স নেই। আমরা লাইসেন্স করার জন্য বলেছি। কেমন তেল বিক্রি হচ্ছে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব থেকে পরীক্ষার রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। তেলের ড্রামের মধ্যে আরশোলা পাওয়া গেছে। সেই কারণে হাইজিন নোটিশ দেওয়া হয়েছে। খোলা তেল যেভাবে বিক্রি করা হচ্ছে সেটা উচিত নয়।
তেল ব্যবসায়ী রোশনলাল গুপ্তা বলেন, ১৫ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যা যা খামতি আছে সেগুলো পূরণ করার জন্য। সরষের তেল খোলা বিক্রি করা যায় না, এটা জানা ছিল না। তিনি বলেন, তেলের টিনে আরশোলা ছিল না। ছিল গুড়ের টিনে। খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা সেটা দেখেছেন।
Bandel Oil Mill
ব্যান্ডেলের তেল কলে আরশোলা, হানা খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের
ব্যান্ডেলের তেল কল ঘুরে দেখলেন খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা। ছবি: অভীক ঘোষ
×
Comments :0