Ghoksadanga

যন্ত্রণার লেভেল ক্রশিং, উড়ালপুলের দাবি ঘোকসাডাঙার বাসিন্দাদের

জেলা

মাথাভাঙা-২ ব্লকের  গুরুত্বপূর্ন রেলস্টেশন ঘোকসাডাঙা। এই রেল স্টেশনকে ঘিরেই এখন জমজমাট ঘোকসাডাঙা। নামে গ্রাম পঞ্চায়েত হলেও শহরের আঁচ লেগেছে এই জনপদে। বাড়ছে জনবসতি। অথচ স্টেশন লাগোয়া রেলের লেভেল ক্রশিং যেন নিত্যদিনের যন্ত্রণা হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
অভিযোগ অন্তত ৩০ বছর আগে লেভেল ক্রশিং বদলে আন্ডারপাস গড়ার কথা ছিল রেল দপ্তরের। কথা রাখে নি রেল দপ্তর। ফলে দিনে বারবার লেভেল ক্রশিং বন্ধ হলে ঘোকসারডাঙার জনপদ দুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। একপাশে হাসপাতাল, স্কুল, ডাকঘর, ব্যাঙ্ক, থানা, গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তর আর অন্যদিকে জাতীয় সড়ক,উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় আর জনপদ। ট্রেন যাওয়ার আগে রেল গেট নেমে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। থেমে যায় গতি। তখন অপেক্ষা ছাড়া গতি নেই। তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাইকেল নিয়ে কিংবা পায়ে হেঁটে গেট পেরোতে দেখা যায় অনেককেই।
রেলগেট সারাদিনে ১০/১২ বার বন্ধ হয়। রোগী থেকে এম্বুলেন্স, ফায়ার ব্রিগ্রেড, সবাইকে থমকে দাঁড়াতে হয় প্রতিদিন। আর হাটবারে হয় চরম ভোগান্তি। ঘোকসাডাঙার সবজি বাজার ব্লকের অন্যতম বড় বাজারের একটি। সমস্যা সমাধানে উড়ালপুল বা আন্ডারপাস চাইছেন সকলেই।
স্থানীয় বাসিন্দা অভিষেক দে, উত্তম সরকার, দীপালি রায় বলেন, গেট পেরোলেই হাসপাতাল। অথচ গেট বন্ধ। অপেক্ষা ১৫-২০ মিনিটের। কবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে কে জানে। কলেজ পড়ুয়া সুদেষ্ণা সরকার বলেন, ঘোকসাডাঙা রেলগেট অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকায়। এই রেলপথে প্রচুর যাত্রীবাহী ট্রেনের পাশাপাশি মালগাড়ি যাতায়াত করে। একবার গেট বন্ধ হয়ে অন্তত ২০/২৫ মিনিট অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অনেকদিন ধরে রেল গেট তুলে দিয়ে উড়ালপুল বা আন্ডারপাসের দাবি করলেও রেল কর্তৃপক্ষের সাড়া মেলে নি। উড়ালপুলের দাবিতে আন্দোলন ছাড়া সমস্যা সমাধান হবে না।

Comments :0

Login to leave a comment