রাজ্যের পাশাপাশি বিধানসভা ভিত্তিক ইশ্তেহার প্রকাশ করবে বামফ্রন্ট। সেই দাবি নিয়ে পৌঁছানো হবে জনতার কাছে। বাংলাকে বাঁচাতে হবে। সেই লক্ষ্যে চলছে নির্বাচনী সংগ্রাম।
বুধবার সংবাদমাধ্যমে একথা বলেছেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী।
চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘বাঁচাতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, যুবদের কাজে নানাবিধ সঙ্কট। এর বাইরেও নানা বিষয়ে নানা লড়াইয়ে রয়েছে বামপন্থীরা।’’
চক্রবর্তী বলেন, ‘‘উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের জন্য দেশের আইন আমাদের রাজ্যে কার্যকর করা হয়নি। এই দাবি আমাদের কথায় থাকবে। আমরা বারবার বলেছি কিন্তু রাজ্য সরকার কিছু করেনি। আবার শিশু শ্রমিককে ইটভাটায় বা বাজি কারখানায় কাজ করানো হচ্ছে দাস শ্রমিকের মতো। তার কথা আমরাই বলছি। পরিবেশ ধ্বংস করে দিয়েছে, কেবল পূর্ব কলকাতা নয়, সারা রাজ্যে। গণপরিবহণ ধ্বংস। এমন বিষয়গুলি নিয়ে প্রচার করব আমরা বামপন্থীরা।’’
এদিনই সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি ছিল। চক্রবর্তী বলেন, আইপ্যাক বেসরকারি সংস্থা। সেখানে ইডি তদন্তে বাধা দিতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। গিয়েছেন মুখ্যসচিব, পুলিশের ডিজি। ইডি-র থেকে মুখ্যমন্ত্রী কাগজ নিয়ে বেরিয়ে এলে? তাঁর প্রাণভোমরা একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে রয়েছে নাকি? সুপ্রিম কোর্ট তির্যক মন্তব্য করেছে। আদালত বারবার বললেও রাজ্য সরকারের কোনও লজ্জা নেই।
এদিন রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা ইডি-র হলফনামায় নতুন অভিযোগ তোলার কারণ দেখিয়ে বলেন যে শুনানি এখন হওয়া উচিত নয়। বিচারপতিরা বলেন, আদালত শুনানি কখন করবে সেই নির্দেশ দিতে যাবেন না।
এদিকে নির্বাচন কমিশন আইএএস এবং আইএএস আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ প্রসঙ্গে চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আইপ্যাকের কথায় প্রশাসন কাজ করছে। তার বহু উদাহরণ রয়েছে। বিডিও দপ্তরে আইপ্যাকের কাজ হচ্ছে।‘‘ তিনি বলেন, ‘‘কলুষিত আধিকারিকদের দিয়ে নির্বাচন হতে পারে না।’’
Comments :0