রাতের অন্ধকারে ব্যবসা কেন্দ্র ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কোনও আইনি নোটিশ পাননি ব্যবসায়ীরা। আসল দোষীদের গ্রেপ্তারির দাবি জানানো হয়েছিল। তা না হওয়ায় আগামী সোমবার মালদহ জেলা জুড়ে ‘ব্যবসা ধর্মঘট’-র ডাক দিল মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স। তবে শনিবার রাতের দিকে জানা গিয়েছে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে প্রশাসনিক আশ্বাসে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত প্রায় দু’টোয় মালদহ শহরের জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত জয় লজ বিল্ডিংয়ের মধ্যে ১১টি দোকানঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ জয় লজ বিল্ডিংয়ের মালিক এবং পুলিশ, প্রশাসন ও রাজ্যের শাসক দলের মাথাদের মদতে জেসিবি মেশিন দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ১১টি দোকানঘর।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দোকান যে ভাঙা হবে ব্যবসায়ীদের আগাম জানায়নি কোনও পক্ষই। দোকানে থাকা জিনিস সরানোর কোন সুযোগ পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে শুধু ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা নন, সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
মালদহের ব্যবসায়ীদের সংগঠন মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্সও এনিয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। চেম্বার দাবি করে যে শুধু মেশিন বা ছোটখাটোদের আটক বা গ্রেপ্তার না করে আসল মাথাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে ব্যবসায়ীরা জেলা জুড়ে ব্যবসা ধর্মঘট করবে।
এর মধ্যেই ভাঙার কাজে যুক্তদের হয়ে সওয়াল করতে আসরে নেমেছেন ইংরেজবাজারের পৌরপ্রধান তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য, ওই ভবনটি ভগ্নদশায় ছিল। তাই ভবনটিকে ভাঙা জরুরি হয়ে পড়েছিল।
কিন্তু, ব্যবসায়ীদের না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে মেশিন দিয়ে ভাঙা হলো কেন তা তিনি বলছেন না। ভাঙার আগে আলোচনা করলে কি অসুবিধা হতো জানাননি তিনি।
ব্যবসায়ীরা আগেই বলেছিলেন যে প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার না করা হলে জেলা জুড়ে ব্যবসা ধর্মঘট ডাকা হবে। সেই মতো ১৬ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, জেলা জুড়ে ব্যবসা ধর্মঘট আহ্বান করে মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।
Maldah Traders
মালদহে দোকান ভাঙার প্রতিবাদ, ‘ব্যবসা ধর্মঘট’ ডেকে পরে প্রত্যাহার মালদহে
ছবি প্রতীকী/
×
Comments :0