NSQF Teachers

স্কিল শিক্ষায় এজেন্সিরাজ, বেতন নেই ঈদের সময়েও, ফুঁসছেন এনএসকিউএফ শিক্ষকরা

রাজ্য

একাধিক দাবিতে বরবার রাস্তায় নেমেছেন স্কিল শিক্ষকরা।

বেতন পাননি টানা চার মাস। গত ১৩ বছরে বেতন বাড়েনি এক টাকাও। ঈদের সময়েও বকেয়া থেকেছে বেতন। ছাত্রছাত্রীদের দক্ষতা তৈরি করার কাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের নেই স্থায়ীকরণও।
পরিস্থিতির জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে দায়ী করছে ইউনাইটেড ওয়েস্ট বেঙ্গল এনএসকিউএফ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। অভিযোগ এজেন্সি প্রথায় চূড়ান্ত বেনিয়ম নিয়েও। 
একটি বিবৃতিতে শিক্ষকদের এই সংগঠন বলেছে, ‘‘বঞ্চনার অবসান চাই। তৃণমূল সরকারের পতন চাই।‘‘
ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক জাতীয় কর্মসূচি। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে এনএসকিউএফ বা ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে স্কুল স্তরে ছাত্রছাত্রীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কাজের বাজারে দাবিদার হওয়ার মতো করে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ।
পশ্চিমবঙ্গে এনএসকিউএফ প্রকল্পে শিক্ষা দিচ্ছেন এমন অনেকেই যাঁরা বি.টেক বা এমসিএ ডিগ্রিধারী। রয়েছেন এমবিএ, এম.ফার্ম ডিগ্রিধারীরাও। উচ্চমাধ্যমিক পাঠক্রমের ‘কম্পালসারি ইলেকটিভ স্কিল‘ বিষয়ও পড়ান এই শিক্ষকরা।  কিন্তু তাঁদের স্থায়ীকরণ নেই। নেই নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো।     
অ্যাসোসিয়েশনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এজেন্সির মাধ্যমে এনএসকিউএফ প্রকল্পকে চিটফান্ডের ব্যবসার মতো চালানো হচ্ছে। আর তার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা।’’ 
এই শিক্ষক সংগঠনের অভিযোগ, ‘‘এজেন্সি ব্যবস্থার মাধ্যমে চরম দুর্নীতি ও অব্যবস্থা হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎকেও খুন করা হচ্ছে।’’ 
বলা হয়েছে, ‘‘গরীব মধ্যবিত্ত প্রান্তিক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের কারিগরী দপ্তরের এজেন্সীর দালাল ও কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকরা বিভিন্ন বেসরকারী কলেজকে ছাত্র-ছাত্রীদের তথ্য সরবরাহ করে । এর ফলে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের লোভনীয় চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে ও সর্বশান্ত করা হচ্ছে । এর থেকে মোটা অংকের কমিশন পাচ্ছে এজেন্সীদের দালাল ও দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকরা। তাই তাদের এত অতিসক্রিয়তা।’’

Comments :0

Login to leave a comment