Digha Sea Beach

যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, সমুদ্র সৈকতে হকার- দোকান নিষিদ্ধ করল জেলা প্রশাসন

জেলা

দুর্গাপূজা উপলক্ষে উৎসবের আলোয় আলোকিত সমুদ্র শহর দীঘা। শহরের প্রবেশদ্বার থেকে নিউ দীঘা পর্যন্ত রাস্তার দু'ধারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আলোয় সেজে উঠেছে। প্রতিকী মণ্ডপ বসানো হয়েছে রাস্তার ধারে ধারে। আলোয় সেজেছে মান্দারমনি, তাজপুর, শংকরপুর। বসছে জমজমাট গান বাজনার আসর। ১৪, ১৫ তারিখ সৈকত শহরে হকার, দোকানদারদের বসা নিষিদ্ধ করেছে ডিএসডিএ'র তরফ থেকে। দীঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন এবং ডিএসডিএস এর আধিকারিকরা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন।  উড়িশা বর্ডার পর্যন্ত রাস্তার ধারে আলোকসজ্জার সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দীঘা রেলস্টেশন সংলগ্ন ঘাটের কাছে অনুষ্ঠান মঞ্চ তৈরি হয়ে গেছে। কয়েক হাজার অতিথির বসার ব্যবস্থা করা হয়ে গেছে।
দীঘা হাসপাতাল মাঠ থেকে রাতের আকাশে ড্রোন শো শুরু হবে। জানা গেছে নতুন দীঘা এস বি এস টি এস ডিপো সংলগ্ন ঘাট থেকে পুলিশ হলিডে হোম পর্যন্ত অনুষ্ঠান হবে। বিখ্যাত সংগীত শিল্পীরা আসবেন। গান ছাড়া থাকবে আতশবাজি ও ড্রোন শোয়ের আয়োজন। সৈকতে ভিড় জমবে। মুখ্যমন্ত্রীর আসার সম্ভাবনা আছে। তাই সৈকতে সুরক্ষা জোরদার করা হয়েছে। উৎসবের মরশুমে সৈকতে যারা হকারী কিংবা ছোটখাটো দোকান পেতে বসে তাদের কথা মাথায় না রেখে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবচেয়ে গরিব শ্রেণির মানুষ যারা তাদের কয়েকদিনের রুটি-রুজির কি হবে এ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুজোয় প্রতিবছরই পর্যটকের ভিড় বাড়ে সেখানে গরিব মানুষ তাদের নিজের হাতে তৈরি খেলনা, পুতুল ,চা ,মসলা মুড়ি সহ নানান দ্রব্য বিক্রি করে। মরশুমে কিছুটা বাড়তি রোজগার তাদের হয়। এই ছোটখাটো চায়ের দোকান কিংবা ঝাল মুড়ি বিক্রেতারার মূলত স্থানীয় বাসিন্দারাই বেশি। 
সিপিআই(এম) নেতা আসিশ প্রামানিক, সুমন জানা এবং এলাকার মানুষের অভিযোগ গরিব মানুষদের বিকল্প রোজগারের কথা না ভেবে কোটি টাকা খরচ করে উৎসব শুরু করেছে। এই উৎসব থেকে গরিব মানুষ কিছু বাড়তি রোজগার করত কয়েক দিন ধরে তাদের রোজগারের ছেদ এনে দিয়েছে প্রশাসন। হাহাকার পড়বে গরীবের সংসারে। আনন্দ মাতবে মুখ্যমন্ত্রীর শহর সমুদ্র সৈকত।’’

Comments :0

Login to leave a comment