বোমাতঙ্ক নিয়ে আতঙ্কতিক হওয়ার কিছু নেই। বিচারক থেকে সাধারণ মানুষ সবার নিরাপত্তা প্রশাসনের কাছে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কলকাতার নগরদায়রা এবং ব্যাঙ্কশাল আদালত সহ রাজ্যের একাধিক আদালতে বোমাতঙ্কের ঘটনায় নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বললেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী।
সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিবের পাশাপাশি ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপি পীযূষ পান্ডে এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার। মুখ্যসচিব বলেন, কলকাতার দুই আদালত সহ রাজ্যের সব আদালতেই বোমাতঙ্কের হুমকি এসেছে। গোটা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিচারকদের সব রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিকেও নজর রাখা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ডিজিপি জানিয়েছেন, প্রশাসন সব রকম ভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকার বলেন, দুটি আদালতেই তল্লাসি চালানো হয়েছে কোথাও কিছু পাওয়া যায়নি। ভুয়ো মেইল কোথা থেকে এসেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে বা যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমাদের কাছে মানুষের নিরাপত্তা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কলকাতার সিটি সেশন কোর্টে কাজের দিনে বোমাতঙ্কের মেইল আসে। জানা গিয়েছে এদিন সকালে মুখ্য বিচারকের কাছে একটি মেইল আসে। যেখানে বলা হয় যে আদালত চত্বরে বোম রাখা রয়েছে। মুহুর্তের মধ্যে তৈরি হয় আতঙ্ক। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে আসে হেয়ার স্ট্রিট থানার বিশাল বাহিনী। বোমস্কোয়াড এসে গোটা আদালত চত্বরে তল্লাসি চালায়। আনা হয় পুলিশ কুকুর। তল্লাসি চালিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি। পাশের ব্যাঙ্কশাল আদালতেও তল্লাসি চালানো হয়।
এছাড়া আসানসোল এবং দূর্গাপুর আদালতেও উড়ো ফোনের মাধ্যমে আসে বোমাতঙ্কের হুমকি। অন্যদিকে একটি হমকি মেইলকে ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়ায় চুঁচুড়া আদালতে। জেলা জজের মেইলে একটি মেইল আসে। আরডিএক্স বিস্ফোরন করা হবে বলে সেখানে বলা হয়। পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবগত করা হয় আদালতের পক্ষ থেকে। এরপরই চন্দননগরে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ আদালতে পৌঁছে যায়। আদালতে উপস্থিত মানুষজনের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায় সেটা দেখা হয়। আদালতে আসা লোকজনদের মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করে পুলিশ কর্মীরা।
Bomb Threat
বোমাতঙ্ক নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলছে রাজ্য প্রশাসন
×
Comments :0