শুভ্রজ্যোতি মজুমদার: উত্তরপাড়া
ঘোরতর বিপদের মধ্যে এই রাজ্য। ভোটার লিস্ট নিয়ে গন্ডগোল। ৬০ লক্ষ মানুষ বিচারাধীন। ‘যুক্তিগ্রাহ্য অসঙ্গতি’ বা ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’-তে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন বাড়ির বিবাহিত মহিলারা। কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা আসছেন। কমিশনের সামনে ফের বিক্ষোভ হবে।
রবিবার হিন্দমোটর শহীদ ক্ষুদিরাম উদ্যানে সিপিআই(এম) উত্তরপাড়া বিধানসভার কর্মীসভায় এমনটাই বললেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এছাড়াও এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন সিপিআই(এম)কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখার্জি, হুগলী জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ। সভাপতিত্ব করেন হুগলি জেলাসম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শ্রুতিনাথ প্রহরাজ।
এদিন সেলিম বলেন, "বামপন্থা মানে সবার অধিকার। সবার অধিকারের কথা আমরা বলি। আমরাই ১৮ থেকে ২১ বছরের ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করেছি। নতুন প্রজন্ম যাদের বর্তমানে জেনজি বলে তাদের ভোট দেবার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিলো বামফ্রন্ট। বর্তমানে ডিজিটাল অ্যারেস্টর মতো করে ইলেকটোরাল অ্যারেস্ট করছে নির্বাচন কমিশন।
মীনাক্ষী মুখার্জি বলেন, "২৭ দিনে আমি পার্টির কর্মী ও নেতৃত্বের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আমি দেখেছি। ইনসাফ যাত্রার সময় দেখেছি শুরু যখন যা করেছি শেষের ব্রিগেডের ময়দানে বিপুল মানুষের ভিড় জমেছে। আমাদের কাছে একটাই হাতিয়ার বিশাল কর্মী বাহিনী ও আমাদের আদর্শের সম্পদ। আমরা সেটা নিয়ে এগিয়ে যাবো।"
দেবব্রত ঘোষ বলেন, "আমাদের লড়াই কর্পোরেটদের বিরুদ্ধে, লুটেরা পুঁজির বিরুদ্ধে। শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে নির্বাচনে লড়াই করছে, জয়ী করার কথা বলছে সিপিআই(এম)। এটাই বামপন্থীদের উদ্দেশ্য।’’
Comments :0