সপ্তমীর সন্ধ্যায় প্রতিমা দর্শন করতে গিয়ে পদপৃষ্ট মানুষ। চোরবাগানের ওই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশাসনের ব্যার্থতার নিন্দা জানিয়েছে যাদবপুর ইউনিভার্সিটি কর্মচারী সংসদ। পাশাপাশি, বামপন্থীদের বুকস্টলে পুলিশি আক্রমণের বিরুদ্ধেও ধিক্কার জানিয়েছে কর্মচারী সংসদ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সংসদের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ দিয়ে উৎসবের সময় মানুষের মৃত্যু, প্রশাসন কোথায়?- এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চোরবাগানে প্রতিমা দর্শন করতে এসে পদপিষ্ট হয়ে এতগুলি মানুষের মৃত্যু, বহু মানুষের গুরুতর আহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। মানুষের ঢল নামবে, তা কি প্রশাসনের অজানা ছিল? তাহলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা গেল না কেন? এই মৃত্যুর দায় কে নেবে?
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই রাজ্যেই যাদবপুর-সহ বিভিন্ন জায়গায় বামপন্থীদের বইয়ের স্টল বন্ধ করতে পুলিশকে নামানো হয়েছে ওই একই দিনে। যে পুলিশ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কাজে আরও বেশি করে নিয়োজিত থাকার কথা, তাকে কি রাজনৈতিক বিরোধিতার কণ্ঠরোধ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে? মানুষের প্রাণ বাঁচানোর চেয়ে বইয়ের স্টল ভেঙে দেওয়া কি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? জনতার নিরাপত্তার চেয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কি বড় হয়ে উঠেছে?প্রশাসনের প্রথম কাজ মানুষের জীবন রক্ষা করা, রাজনৈতিক নির্দেশে প্রতিবাদ ও বইয়ের উপর আঘাত হানা নয়। এই দ্বিচারিতার প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রশাসনিক গাফিলতির দায় নির্ধারণ, দোষীদের শাস্তি এবং মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে কর্মচারী সংসদ। সেইসঙ্গে, আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলেও দাবি জানায় এই সংগঠন।
JU employee's unioin
'বইয়ের উপর আক্রমণ নয়, প্রশাসনের কাজ জীবনরক্ষা', বলছেন যাদবপুরের কর্মচারীরা
×
Comments :0