Sujan Chakraborty SIR

এসআইআর হেনস্তায় বিজেপি-তৃণমূল দু’দলকেই জবাব দেবেন মানুষ, সুজন চক্রবর্তী

রাজ্য কলকাতা

মানুষের প্রাপ্য অনেক বেশি। দেওয়া হচ্ছে খুব সামান্য। কিন্তু সেটুকুও কেবল ভোটের বছরে কেন? কেন ভোট থাকলে ভাতা বাড়ে। যে বছর ভোট নেই, বাজেটে ভাতা বাড়ানো হয় না?
সংবাদমাধ্যমে শনিবার এই প্রশ্ন তুললেন সিপিআই(এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‘আসলে মহিলা বা অন্য অংশের উন্নতির জন্য ভাতা দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। এক এবং একমাত্র উদ্দেশ্য ভোট। মানুষ তা ধরে ফেলেছেন।’’
এদিন এসআইআর হেনস্তার জন্য নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘‘দু’বার পিছালো সময়সীমা। আদালতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে নির্বাচন কমিশন অপদার্থ। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারও বা আধিকারিকদের নামের তালিকা পাঠালো না কেন? কেন আজও চলছে টালবাহানা?’’


চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি যেমন হেনস্তা চাইছে, তেমনি তৃণমূল হেনস্তার সুযোগ করে দিয়েছে। দু’পক্ষকেই জবাব দেবেন মানুষ।’’
উল্লেখ্য, শনিবার নির্বাচন কমিশন রাজ্যকে ফের আধিকারিকদের তালিকা নিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। বলা হয়েছে যে ৮৫০৫ নামের মধ্য বিশদ তথ্য রয়েছে ৬ হাজারের। এই আধিকারিকরা গ্রুপ-বি আধিকারিক কিনা তোলা হয়েছে সে প্রশ্নও। 
উল্লেখ্য, কমিশন বাইরে থেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়োগ করেছে রাজ্যে। এদিকে নামের বানানে স্বাভাবিক পরিবর্তনকেও সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। ডাকা হচ্ছে শুনানি পর্বে। নাগরিকত্ব যাচাই করতে নেমে পড়ছে। বাংলা নাম এবং পদবি সম্পর্কে কোনও ধারণা বাইরের আধিকারিকদের না থাকায় এমন হেনস্তা বেশি হচ্ছে। 
সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের যুক্তি ছিল রাজ্যের কাছে চেয়েও আধিকারিকদের তালিকা না পাওয়ায় বাইরে থেকে পাঠাতে হয়েছে মাইক্রো অবজার্ভার। গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে জানায় গোটা তালিকা পেশ করা হবে। কিন্তু সেই তালিকা নিয়েও চলছে টানাপোড়েন। 
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা মোস্তারি বানুই প্রথম এসআইআর হেনস্তা নিয়ে রাজ্য থেকে দায়ের করেন মামলা। তার ভিত্তিতে নেওয়া হয় অন্যান্য পিটিশন।

Comments :0

Login to leave a comment