দিনহাটা কলেজে এসএফআই কর্মীদের ওপর আক্রমণে অভিযুক্ত এবিভিপি মদতপুষ্ঠ দুষ্কৃতিদের গ্রেপ্তার সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সহ জেলা প্রতিটি কলেজে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, সুস্থ পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ, কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতিকরণ, সর্বোপরি দ্রুততার সঙ্গে কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে রবিবার কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো এসএফআই।
এদিনের এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সংগঠনের কোচবিহার জেলা সভাপতি জিৎ কুমার পাল সহ বিশ্বজিৎ সরকার, আবু বক্কর সিদ্দিকী, ধনঞ্জয় বর্মন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে দিনহাটা কলেজের এবিভিপি'র মদতপুষ্ট একদল বহিরাগত এসএফআই কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। কলেজের ছাত্র সহ এসএফআই কর্মীদের তাড়া করে কলেজের সামনের রাস্তায় নিয়ে গিয়ে মারধর করে তারা। আক্রান্তদের চিৎকারে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা এগিয়ে এলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় এবিভিপি মদতপুষ্ঠ দুষ্কৃতিরা। পরে জখম ছাত্রদের উদ্ধার করে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে এবিভিপি নেতা প্রেম কুমার বর্মন সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। দিনহাটা কলেজে বহিরাগতদের অত্যাচার নতুন নয়, ২০১১ এর পর তৃণমূলের বহিরাগতরা বছরের পর বছর ধরে দাপিয়ে বেড়াতো এই কলেজ ক্যাম্পাসে। বারবার শিক্ষার পরিবেশকে কলুষিত করেছে তারা। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ফেলে আসা জুতোয় পা গলিয়েছে এবিভিপি।
এদিন এসএফআই কোচবিহার জেলা সভাপতি জিৎ কুমার পাল বলেন, "বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত যারা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এর হয়ে এই সন্ত্রাস চালাতো। তারাই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জার্সি বদল করে এবিভিপি-র হয়ে এই সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আন্দোলন আরও তীব্রতর হবে।
Comments :0