Sandeshkhali

গুলি চললো সন্দেশখালিতে

জেলা

শুক্রবার গভীর রাতে সন্দেশখালিতে চললো গুলি। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন জুম্মান শেখ। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে সন্দেশখালি থেকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পরেও এত আগ্নেয়াস্ত্র আসছে কোথা থেকে?  উঠছে প্রশ্ন। এদিকে যাকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালালো সেই জুম্মান শেখকে নিয়ে বিজেপি এবং বিজেপি বিধায়কের মধ্যে পরস্পর বিরোধী মন্তব্যে সরগরম সন্দেশখালি।
বসিরহাট পুলিশ জেলার ন্যাজাট থানার খাঁস শাকদহ এলাকায় গভীর রাতে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান জুম্মান শেখ নামে এক ব্যক্তি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেশ কয়েকটি গুলির খোল উদ্ধার করেছে ন্যাজাট থানার পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  শুক্রবার গভীর রাতে জুম্মান শেখকে লক্ষ্য করে কয়েকজন দুষ্কৃতী গুলি চালায় বলে অভিযোগ। কোনওরকমে ঘটনাস্থল থেকে সরে গিয়ে প্রাণে বাঁচেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি,  এলাকায় আধিপত্য ও মেছো ভেড়ির দখলকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। সেই বিবাদের জেরেই এই গুলি চালানোর ঘটনা বলে অভিযোগ। তবে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ,  জুম্মান শেখ নিজেই এলাকার পরিচিত দুষ্কৃতী। মেছো ভেড়ি দখল ও ডাকাতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে বলে দাবি করেছেন আলাউদ্দিন মোল্লা ও জুলফিকার গাজীদের মতো স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দুষ্কৃতীদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। অন্যদিকে,  এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি কর্মীদের দাবি,  জুম্মান শেখ দলের সক্রিয় কর্মী এবং তাকে পরিকল্পনা করে খুন করার উদ্দেশ্যেই গুলি চালানো হয়েছে। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি রবিন দাসের দাবি,  জুম্মান শেখ বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতা এবং শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা তাকে খুনের চেষ্টা করেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে বলেও দাবি তার।
যদিও সন্দেশখালির বিধায়ক সনৎ সর্দার বলেন, জুম্মান শেখ নামে কোনও বিজেপি কর্মী সন্দেশখালিতে নেই। তার দাবি,  ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া গুলির খোল ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কারা গুলি চালিয়েছিল এবং কী কারণে এই হামলা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Comments :0

Login to leave a comment