State Budget 2023

কর্মসংস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রইলো রাজ্য বাজেটে

রাজ্য

ধোঁয়াশা রেখে কর্মসংস্থানের ঘোষনা। বাজেট শুধু হলো মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরনা দিয়ে। শেষ হলো মুখ্যমন্ত্রীর কবিতা দিয়ে।

মুখ্যমন্ত্রী বাজেটের শেষে বিধানসভায় বলেন, ‘‘কর্মসংস্থান মুখি বাজেট।’’ 

কিন্তু কি রইলো রাজ্য বাজেটে। দেউচা পাঁচামী, রঘুনাথপুর, বানতলা লেদার কম্লেক্সে কর্মসংস্থান হবে বলে ঘোষনা করলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু রাজ্যের মোট কর্মসংস্থানের লক্ষ কতো তা উল্লেখ নেই বাজেটে। 

যুবক যুবতীদের জন্য 'ভবিষ্যত ক্রেডিট কার্ড' প্রকল্প ঘোষিত। এতে ১৮-৪৫ বছরের যুবরা ৫ লক্ষ টাকা ঋণ পাবে। ২ লক্ষ যুব পাবে। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এই টাকা পেলেও কিভাবে আবেদন করা হবে তা নিয়ে কোন কথা নেই। অর্থ প্রতিমন্ত্রীর কথায়, এতে কর্মসংস্থান হবে। তার মানে কি কর্মসংস্থানের ধোঁয়াশা রেখে কি সেই মুখ্যমন্ত্রীর ‘চা ঘুগনি’ তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা দিল সরকার।

                                                                                          বাজেট পেশ করছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ছবি অচ্যুৎ রায়

 

গ্রামীণ রাস্তার জন্য বরাদ্দ হলো ১১,৫০০ কোটি টাকা। রাস্তা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় অর্থ বরাদ্দ হয়। এর আগে কেন্দ্রের প্রকল্পকে নিজেদের প্রকল্প বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছে রাজ্য সরকার। এবারও কি তার প্রবনতা?

বাজেটে নিজেদের কৃষক দরদী প্রমান করার চেষ্টা করেছে রাজ্য। কৃষক বন্ধু থেকে বাংলা শষ্য বিমা প্রকল্পের কথা বলা হলেও কৃষক আত্মহত্যা নিয়ে চুপ সরকার।

১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ কমানোর জন্য, মিড-ডে-মিলের বরাদ্দ কামনোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করলেও এসএসসি দূর্নীতি নিয়ে আবাস দূর্নীতি নিয়ে কোন কথাই বলেন না অর্থ প্রতিমন্ত্রী। 

পেট্রোল ডিজেলের মুল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরব হন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু জ্বালানির ওপর রাজ্যের কর না কামনোর বিষয় কোন কথা তিনি বললেন না।   

Comments :0

Login to leave a comment