চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে মৃতদের মধ্যে ৪ জন পানিহাটি পৌরাঞ্চলের বাসিন্দা। আগরপাড়া বিটি রোডের কল্পনা এপার্টমেন্টের বাসিন্দা বছর এগারোর প্রাঞ্জল সরকার কলকাতার ঠাকুর দেখতে গেছিলো বাবা মায়ের সঙ্গে। আর সেই হুড়োহুড়ির সময়ে বাবা মায়ের থেকে ছিটকে যায় ছোট্ট প্রাঞ্জল। শুধু ভালো ছাত্রই নয়, প্রাঞ্জল ছিল একজন ভালো সাঁতারুও। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। প্রাঞ্জলের বাড়ির ঠিক পাশেই হয় দুর্গাপুজো।
মর্মান্তিক এ খবর পাওয়ার পর ছিল শুধু শোকাতুর প্রতিবেশীদের জটলা। এক প্রতিবেশী দিব্যেন্দু চৌধুরী জানালেন, তাঁরা খবর পেয়েই ছুটে এসেছেন পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে। তবে তাঁর অভিযোগ, চোরবাগানের পুজোর সাংগঠনিক দুর্বলতার জন্যেই এতো বড় ক্ষতি হয়ে গেলো এতগুলি পরিবারের।
আগরপাড়ারই পিবি ঘাট রোডে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বিহারের মুজফ্ফরপুর থেকে কলকাতার পুজো দেখতে এসেছিলেন অভিষেক শ্রীবাস্তব তাঁর পরিবার নিয়ে।
আগরপাড়া থেকে স্ত্রী নেহা ও ৭ বছরের ছেলে অয়াংশ এবং যে আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছিলেন সেই রাজেশ কুমার শ্রীবাস্তবকে নিয়ে চোরবাগানে যান কলকাতার পুজো দেখতে। প্রথমবার কলকাতার পুজো দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো অভিষেক শ্রীবাস্তব ও তাঁর ছেলে অয়াংশের। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজেশ কুমার শ্রীবাস্তব।
সোদপুর বিবি বাগানের জয় আবাসনের বাসিন্দা কল্পনা জানা তাঁর ছোট ছেলের স্কুলের বন্ধুদের পরিবারের সঙ্গে ছেলেকে নিয়ে গেছিলেন চোরবাগানে। বছর ১৪`র ছেলে বাড়ি ফিরলেও, সপ্তমীর সন্ধ্যায় বার হয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের।
4 from Panihati died in Chorbagan Stampede
চোরবাগান প্রাণ কেড়েছে শিশুসহ পানিহাটির চার বাসিন্দার
মৃতদের মধ্যে রয়েছেন কল্পনা জানা।
×
Comments :0