হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি টোটো চালকদেরও জীবিকায় আঘাত করছে রাজ্যের বিজেপি সরকার। টোটো চলাচল ঘিরে একাধিক বিধিনিষেধের মুখে ফেলা হচ্ছে নিম্নবিত্ত এই অংশকে। ই-রিক্সা চালকদের জীবিকার লড়াইকে জোরালো করার বার্তা দিয়ে পথসভায় একথা বলেছেন সিআইটিইউ নেতৃবৃন্দ।
সিআইটিইউ নিয়ন্ত্রিত মালদহ জেলা ব্যাটারি চালিত ই-রিক্সা ড্রাইভার ও অপারেটার্স ইউনিয়নের ডাকে মালদহ শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সিআইটিইউ দাবি তুলেছে যে টোটো চলাচলে গ্রাম ও শহর ভাগ করা যাবে না। অন্ততঃ দু বছরের ফিটনেস সার্টিফিকেট দিতে হবে। আঞ্চলিক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বা আরটিও এবং পুলিশের জুলুম বন্ধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার টোটো চালকদের রেজিস্ট্রেশধন বাধ্যতামূলক করে। চড়া হারে বসানো হয় ফি। তার বিরুদ্ধে হয় প্রতিবাদ। বিজেপি সরকার আসীন হওয়ার পর ফিটনেস সার্টিফিকেট বা রুট নির্দিষ্ট করার পদক্ষেপ নিয়েছে। টোটো চালকরা জানাচ্ছেন তাঁদের জীবিকায় আঘাত নামছে। তার ওপর নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে জাতীয় সড়কের ওপর টোটো চালানো যাবে না। ফলে বহু চালকই সমস্যায় পড়ছেন।
সিআইটিইউ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, যুব অংশের রোজগারে সঙ্কট রয়েছে। সে কারণে বহু মানুষ বেছে নিয়েছেন টোটো চালকের পেশা। বহু যুবতীও এই পেশায় আয় করছেন। তা’হলে রোজগারে আঘাত নামানো হচ্ছে কেন।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন সিআইটিইউ জেলা সম্পাদক নিখিল দাস, সংগঠনের নেতা মিন্টু চৌধুরী, অনুপম গুন, বিশ্ব প্রিয় বিশ্বাস, প্রলয় দাস প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সব দাবি যদি প্রশাসন না মানে আগামীতে ফের প্রতিবাদ হবে। ডেপুটেশন দেওয়া হবে প্রশাসনকে।
CITU ,eeting on E-Rickshaw Operators
টোটো চালকদের জীবিকায় আঘাত, মালদহে প্রতিবাদ সভা সিআইটিইউ’র
মালদহে টোটো চালকদের পথসভা। ছবি: উৎপল মজুমদার
×
Comments :0