মধ্য প্রদেশে কেন-বেতোয়া সংযোগ প্রকল্প আন্দোলন গায়ের জোরে ভাঙলো বিজেপি সরকারের পুলিশ। ছতরপুরের অনশন স্থল থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রতিবাদীদের। তার মধ্যে মহিলারা ও ছিলেন। আটক করা হয়েছে অনশনকারীদেরও।
টানা প্রায় ১৫ দিন মধ্যপ্রদেশে কেন এবং বেতুয়া নদীর সংযুক্ত প্রকল্প ঘিরে বিক্ষোভ চলছে, বিক্ষোভ রয়েছে মাজগাও রুনঝ সেচ প্রকল্প নিয়েও।
প্রতিবাদীদের বেশির ভাগই আদিবাসী।
ছতরপুর এর পুলিশ যদিও দাবি করছে কাউকে আটক করা হয়নি বা গ্রেফতার করা হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবে সকলকে তুলে নিজের নিজের গ্রামে পাঠানো হয়েছে। ছতরপুর এবং পান্না জেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রতিবাদীদের ফেরানো হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, যে এলাকায় অনশন চলছে সেখানে নদীর জল কয়েক দিন ধরেই বাড়ছিল। ফলে বিপদের ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।
কেন এবং বেতুয়া সংযোগ প্রকল্পে একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা উচ্ছেদের মুখে রয়েছেন। শুধু বাসস্থান নয়, জীবিকা ঘিরেও প্রবল নিশ্চয়তা রয়েছে। তাদের বক্তব্য জমি অধিগ্রহণ আইন মেনে কাজ করছে না মধ্য প্রদেশ সরকার। ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত। তাছাড়া গোটা প্রকল্পে একাধিক অস্বচ্ছতা। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা হওয়ার কথা। এমন কোন তালিকায় দেখাতে পারছে না প্রশাসন। ফলে ক্ষতিপূরণ কোথায় কত দেওয়া হচ্ছে তাও বোঝা যাচ্ছে না।
আন্দোলনের বিভিন্ন পর্বে বিশেষত মহিলাদের যোগদান সারা দেশের নজর কেড়েছে। জলের উপরে বাঁশের কাঠামোয় নিজেদের বেঁধে রেখেছেন প্রবীণ মহিলারা। এই ‘জল সত্যাগ্রহের‘ পাশাপাশি চলেছে ‘চিতা সত্যাগ্রহ‘। প্রতীকী চিতা বানিয়ে জলের ওপর শুয়ে থেকেছেন গ্রামবাসীরা। আন্দোলনের জোর বাড়ছিল বলেই আশঙ্কায় ছিল বিজেপি সরকার।
রবিবার সকালে ছতরপুরের ঘটনা ক্রমকে অনেকে তুলনা করেছেন ঠিক আগের দিন দিল্লির যন্তর মন্তরের এর সঙ্গে। সেখানে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সোনাম ওয়াঙচুককে।
Ken Betwa Protest Police
মধ্য প্রদেশে কেন-বেতোয়া আন্দোলনও জোর করে ভাঙলো বিজেপি সরকার
খরস্রোতা নদীর বুকে প্রতিবাদ।
×
Comments :0