তৃণমূলের বিরুদ্ধে লালঝান্ডা লড়াই করেছে। মেহনতি জনতার স্বার্থে বিজেপির বিরুদ্ধেও লড়াই চালিয়ে যাবে লালঝান্ডা। এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না। শুক্রবার স্বরূপনগরের সভা থেকে এমনই দৃপ্ত কন্ঠে জানিয়ে দিলেন সারাভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়ন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি তুষার ঘোষ। এদিন তিনি হকার উচ্ছেদ সহ ডবল ইঞ্জিন সরকারের গরীব মারা একাধিক নীতি ও পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন।
উত্তর ২৪পরগনার সীমান্ত এলাকা স্বরূপনগর ব্লকে ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কমবেশি ৮ হাজার মানুষ ট্রাইব্যুনালে আবেদন
জানিয়েছেন। যার অধিকাংশই হিন্দু সম্প্রদায়ের। ডিলিট ভোটার আনুমানিক ৬হাজার। বর্তমানে তাদের একটাই পরিচয় তারা কেউ বিচারাধীন ভোটার আবার কেউ ডিলিট ভোটার। শুক্রবার স্বরূপনগর বিডিও অফিস চত্বরের বিক্ষোভ সভায় এসে তারা দাবি তুললেন, দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে ভোটার তালিকায় আমাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বৈধ ভোটারদের ডিলিট দাগিয়ে দিয়ে বেঘর করা চলবে না। এদিনের বিক্ষোভ সভা ও ডেপুটেশনের ডাক দেয় বামপন্থী বিভিন্ন গণসংগঠন।
সংগঠনগুলির কর্মী সমর্থকরা সোচ্চার হয়ে বলেন, রেগার পরিবর্তে সর্বনাশা ভিবিজিরামজি চালু করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে অবিলম্বে কাজ শুরু করো। ১০০দিনের পরিবর্তে ২০০ দিন কাজ দাও। বকেয়া সমস্ত মজুরি পরিশোধ করো। অন্নপূর্ণা যোজনায় কোনও যোগ্য গরীব মহিলাকে বাদ দেওয়া চলবে না। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে আইন অনুযায়ী সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ গরীব মানুষের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করতে হবে। অবিলম্বে ইছামতি, যমুনা,পদ্মা নদী সংস্কারের কাজ শুরু করো। গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি অচলাবস্থায় আছে। ফলে সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করুক। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষক নেতা গোলকবিহারী খাঁ। তুষার ঘোষ ছাড়াও এদিনের সভায় বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখেন সারাভারত খেতমজুর ইউনিয়নের নেতা রাজু আহমেদ, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা দেবাশীষ দত্ত, সফিকুল সরদার,কৃষক নেতা রকিব শাহজি,আনসার সরদার সহ নেতৃবৃন্দ। ১২দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি নিয়ে বিডিও ধ্রুবজ্যোতি রায়ের কাছে ডেপুটেশনে যান গণসংগঠনগুলির ৭জন নেতৃবৃন্দ।
CPI(M) South 24 Parganas
রেগার কাজ ফেরাও, বৈধ ভোটারের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, স্বরূপনগর বিডিও অফিসের সামনে সভা বামপন্থীদের
বক্তব্য রাখছেন তুষার ঘোষ। ছবি: প্রবীর দাস।
×
Comments :0