East Medinipur

অধিকারের দাবিতে লাল ঝাণ্ডার মিছিল রোখা যায়না, হেঁড়িয়ায় নিরাপদ সরদার

রাজ্য জেলা

লাল ঝান্ডার মিছিল হয় খেতমজুরের কাজের দাবিতে, লাল ঝাণ্ডার মিছিল হয় কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে, লাল ঝাণ্ডা মিছিল হয় গরিবের কাজের দাবিতে,লাল ঝাণ্ডার মিছিল হয় অন্যায় অত্যাচার শোষণের বিরুদ্ধে। একে পুলিশ দিয়ে আটকানো যায় না। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির হেঁড়িয়ার পথসভায় মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক নিরাপদ সরদার। 
সাধারণ মানুষের আশু দাবিগুলো নিয়ে এদিন সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়ন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ডাকে একটি মিছিল ও পথসভা হয়। পুলিশ এবং বিজেপির বাধাতে নির্দিষ্ট জায়গায় সভা করার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। বাধ্য হয়ে সভা করতে হয় হেঁড়িয়া সিপিআই(এম) পার্টি অফিসের সামনে। মিছিলিটি খেজুরি, ইটাবেড়িয়া, দীঘাও মেছেদা রোড ধরে হেঁড়িয়া সিপিআই(এম) অফিসের সামনের মাঠে হয়। সেখানেই পথসভা হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের রাজ্য সম্পাদক নিরাপদ সরদার, সারা ভারত খেত মজুদ গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক হিমাংশু দাস,সভা পরিচালনা করেন জেলা খেদমজুর ইউনিয়নের সভাপতি আশীষ প্রমাণিক। 
খেতমজুরের ২০০ দিনের কাজ ও ৬০০ টাকা মজুরি দিতে হবে,বন্যা নিয়ন্ত্রণে উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে নদী ও সমুদ্র বাঁধ পাকিপাকাপোক্তভাবে নির্মাণ করতে হবে। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল নির্বাচনী শর্ত অনুযায়ী কমাতে হবে। যোগ্য মহিলাদের অন্নপূর্ণার ভান্ডার দিতে হবে। রসুলপুর নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ এবং খেজুরী পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি নিয়ে বক্তব্য রাখেন সারা ভারত খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবী ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক হিমাংশু দাস। সকল বেকারের কাজ এবং পরিযায়ী শ্রমিককে ফিরিয়ে নিয়ে আসার দাবি ওঠে মিছিল এবং সভা থেকে। 
নিরাপদ সরদার বলেন, গরীবের ১০০ দিনের কাজ বন্ধ রেখেছিল কেন্দ্রের মোদী এবং রাজ্যের মমতা ব্যানার্জির সরকার। তাই গরিব মানুষ আদালতে গেছিলেন। তাই নরেন্দ্র মোদী এবং মমতা ব্যানার্জির সরকার কে কোর্টে যেতে হয়েছিল। একশো দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করেছিল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। আর কাজ বন্ধ রেখে খেসারত গরিব মানুষকে কেন দিতে হবে? শাস্তি তো দিতে হবে যারা টাকা চুরি করেছে, গরিব মানুষ কেন তার কাজের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। রাজ্যে শিল্প, কলকারখানার নতুন কোন দিসা নেই বলে, শিক্ষিত বেকাররা ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গেছে। শুভেন্দুর ডবল ইঞ্জিন সরকার ১২ ঘন্টা ধরে কাজের আইন পাস করেছে। মানুষের কর্মসংস্থানের কথা না বলে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন এ রাজ্যের বিজেপির সরকার। শুভেন্দু অধিকারী গুন্ডা দমন আইন নিয়ে এসে মানুষের মিছিল মিটিং প্রতিবাদ করার কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টা করছে। অথচ তিনি হাত পেতে টাকা নিয়েছিলেন রাজ্যের সমস্ত মানুষই জানেন।

Comments :0

Login to leave a comment